- এই বিশাল জমকালো ব্যাপারটার দিকে চেয়ে দমে যাচ্ছি না, জানো। হিংসে হচ্ছে না। গলা শুকিয়ে কাঠ হচ্ছে না। সবচেয়ে বড় কথা, স্কাইস্ক্র্যাপারগুলো ছাপিয়ে ওই যে সন্ধের আকাশ, এই সমুদ্র; এ'গুলো আমায় বেশি টানছে। এই ছেলেমানুষিটা কি একদম ওয়ার্থলেস সমুদা?
- ওয়ার্থলেস নয় বলেই তো তোকে টেনে নিয়ে আসা ভাই।
- মানে দ্যাখো, পকেট গড়ের মাঠ। ছোট্ট যে চাকরিটা টেনেহিঁচড়ে চালিয়ে যাচ্ছি তা'তে প্রাণ ঝলসে যাওয়ার উপক্রম। তবু বম্বে আমায় গিলে খেতে পারছে না। তবু এই ভিড়ভাট্টার মধ্যে আমি ইন্সপ্যায়ার হওয়ার হাজারটা কারণ খুঁজে পাচ্ছি। এরপরেও বলবে আমার ফিউচার ব্লীক?
- সন্ধেটা ঝলমল করছে। সে'টা তুই খেয়াল করছিস। অবজার্ভ করে উচ্ছ্বসিত হচ্ছিস। সে উচ্ছ্বাসে আমায় টানছিস। তোর ফিউচার নিয়ে অন্তত আমার চিন্তা নেই।
- অথচ বাবা দিনরাত চিন্তা করে। মা করে দুশ্চিন্তা।
- তারা কোথায় কোন ব্যান্ডেলে বসে আছে। হাজার মাইলের তফাতে। তোর পাশে বসে তো আর তাঁরা এই সন্ধেটা অনুভব করতে পারছে না। তোকে ছুঁয়ে তোর হুজুগের জোরটা আঁচ করতে পারছে না। তাই তাঁদের চিন্তা। তাঁদের সে চিন্তা কেড়ে নিতে যাস না। সে চিন্তাটুকুই তাঁদের মেরিনড্রাইভের সানসেট।
- এ জন্যই তোমার ডাকে লোকাল ট্রেন ঠেঙিয়ে এদ্দূর আসা। বুঝলে সমুদা?
No comments:
Post a Comment