আজ আমরা ঠাহর করতে পারছি না। তবে একদিন পারব। সাংবাদিকতার স্বর্ণযুগে আমরা রয়েছি। কিন্তু ইতিহাসের ট্র্যাজেডি হলো স্বর্ণযুগের মানুষ নিজেদের সময়টাকে যথাযথভাবে অ্যাপ্রিশিয়েট করতে পারেন না।
নিরেট সংবাদ পরিবেশনে আর কেউ আটকে নেই। সাংবাদিকরা এখন আর স্রেফ অন্যের খবর বয়ে আনছেন না বরং তারা নিজেই এক-একটা জলজ্যান্ত খবর। তাঁরা বিপ্লবী । তাঁরা প্রতিবাদি। যারা দুর্বল, দুর্বলতা যে তাঁদের ভেক; সে'টা প্রমাণের গুরুদায়িত্ব তাঁদেরই কাঁধে। সবলের সারল্য নিয়ে এর আগে যথেষ্ট কথা হয়নি, সে'টা আজ যে হচ্ছে সে জন্যও তাঁদের বাহবা প্রাপ্য।
সবচেয়ে আশার কথা, তাঁরা তথ্যের মায়াজালে আটকা পড়ছেন না। কন্সপিরেসি থিওরির ছাই উড়িয়ে প্রতিদিন তাঁরা আবিষ্কার করছেন বিভিন্ন অমূল্য রতন। সবচেয়ে বড় কথা তারা মানুষকে চিনিয়ে দিচ্ছেন কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল আর কাদের আজ বেদম না পেটালে পরশু নির্ঘাত মহাপ্রলয় ঘটবে। "আমরা আপনাদের সঠিক তথ্য দেব, আপনারা নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের সত্যটি চিনে নেবেন"; এই ধরণের বস্তাপচা মতবাদ তাঁদের যুদ্ধের আগুন জল ঢালতে পারছে না।
এই সময়ে দাঁড়িয়ে আশাবাদী না হওয়াটা ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ওই যে বললাম, স্বর্ণযুগ; আজ না স্বীকার করি, কাল আমরা নিশ্চয়ই নতজানু হব।
No comments:
Post a Comment