- মিন্টুদা। একটা লাল চা। ক্যুইক।
- বসো। শিঙাড়া ভাজছি।
- না। শুধু চা।
- বিস্কুট?
- শুধু চা।
- এই দিই। দু'মিনিট জিরোও।
- মিন্টুদা। ব্যাপারটা ভালো বুঝছি না।
- সে তোমার মেজাজ দেখেই ধরেছি।
- সবকিছু কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে।
- চিনি দিই হাফচামচে?
- দাও। জানো, আর ভাল্লাগেনা।
- জানি আর কতটা। তবে খানিকটা ঠাহর করতে পারি।
- সেই মার্ফির গল্প। হোয়াটএভার ক্যান গো রং, ইজ ডেফিনিটলি গোয়িং রং।
- এই যে, চা।
- দাও...আহ্। শিঙাড়া ভাজা হয়ে গেলে এসো। গপ্প করি।
- বলো না। এইত্তো। বসলাম।
- ও মা। শিঙাড়া?
- না-ভাজা শিঙাড়ারা তো পালিয়ে যাচ্ছে না। খদ্দেরের ভিড়ও নেই। বসি।
- পালিয়ে যাওয়াটা অপশন নয়।
- কীসের থেকে পালাতে চাও জানি না। তবে হ্যাঁ, ও'পথে না যাওয়াই ভালো।
- বিড়ি আছে?
- আছে। তবে তোমার তো ও নেশা নেই, থাক তা'হলে।
- ধুস।
- শিঙাড়ার ব্যাপারটা বরং ভেবে দেখো। বিড়ির চেয়েও পায়াওরফুল।
- মাঝেমধ্যে মনে হয় ব্যাপারগুলো ঠিক হচ্ছে না। অন্যায় হচ্ছে। আবার পরক্ষণেই মনে হয় সমস্তটাই ডিজার্ভ করি।
- তোমার মুখচোখ বেশ বসে গেছে।
- হেহ্।
- নিজের জন্য মুড়ি মেখেছিলাম৷ সর্ষের তেল, চানাচুর, কাঁচালঙ্কা দিয়ে। আনি হাফবাটি।
- উফ। শিঙাড়া পেরিয়ে আসল জিনিসে পৌঁছনোর জন্য কত কসরত করতে হলো।
- এই তো সেই উজ্জ্বল মুখ। সাবাশ। রুকো। এখুনি আসছি।
No comments:
Post a Comment