Friday, March 27, 2026

লাল চা

- মিন্টুদা। একটা লাল চা। ক্যুইক।

- বসো। শিঙাড়া ভাজছি।

- না। শুধু চা।

- বিস্কুট? 

- শুধু চা।

- এই দিই। দু'মিনিট জিরোও।

- মিন্টুদা। ব্যাপারটা ভালো বুঝছি না।

- সে তোমার মেজাজ দেখেই ধরেছি।

- সবকিছু কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে।

- চিনি দিই হাফচামচে?

- দাও। জানো, আর ভাল্লাগেনা।

- জানি আর কতটা। তবে খানিকটা ঠাহর করতে পারি।

- সেই মার্ফির গল্প। হোয়াটএভার ক্যান গো রং, ইজ ডেফিনিটলি গোয়িং রং। 

- এই যে, চা।

- দাও...আহ্‌। শিঙাড়া ভাজা হয়ে গেলে এসো। গপ্প করি।

- বলো না। এইত্তো। বসলাম।

- ও মা। শিঙাড়া? 

- না-ভাজা শিঙাড়ারা তো পালিয়ে যাচ্ছে না। খদ্দেরের ভিড়ও নেই। বসি। 

- পালিয়ে যাওয়াটা অপশন নয়।

- কীসের থেকে পালাতে চাও জানি না। তবে হ্যাঁ, ও'পথে না যাওয়াই ভালো।

- বিড়ি আছে?

- আছে। তবে তোমার তো ও নেশা নেই, থাক তা'হলে।

- ধুস। 

- শিঙাড়ার ব্যাপারটা বরং ভেবে দেখো। বিড়ির চেয়েও পায়াওরফুল।  

- মাঝেমধ্যে মনে হয় ব্যাপারগুলো ঠিক হচ্ছে না। অন্যায় হচ্ছে। আবার পরক্ষণেই মনে হয় সমস্তটাই ডিজার্ভ করি।

- তোমার মুখচোখ বেশ বসে গেছে।

- হেহ্‌।

- নিজের জন্য মুড়ি মেখেছিলাম৷ সর্ষের তেল, চানাচুর, কাঁচালঙ্কা দিয়ে। আনি হাফবাটি।

- উফ। শিঙাড়া পেরিয়ে আসল জিনিসে পৌঁছনোর জন্য কত কসরত করতে হলো।

- এই তো সেই উজ্জ্বল মুখ। সাবাশ। রুকো। এখুনি আসছি।

No comments: