- ও দাদা, ঠিক আছেন? চোট-টোট...?
- সারপ্রাইজিংলি শুধু রিস্টওয়াচটা গেছে দেখছি...। এহ..ডায়ালটা এক্কেবারে... আর এই কনুইটা সামান্য...।
- অল্পের ওপর দিয়ে গেলো তো তা'হলে। যে'ভাবে ট্রাকটা আপনার স্কুটার ঘেঁষে বেরোলো আর আপনি স্কিড করে পড়লেন...।
- আর বলবেন না, টার্ন নিতে গিয়ে আচমকা দেখি আমার ডান দিক থেকে...। আসলে ট্রাকটা এমনভাবে চেপে দিলে আমায়...ড্রাইভারটা বেহেড মাতালের মত চালাচ্ছিল...।
- দাঁড়ান...স্কুটারটা তুলি আপনার...।
- আমি...আমি পারব...।
- এক মিনিট...এই যে...তা আপনি কি পারবেন চালাতে?
- হ্যাঁ হ্যাঁ, কোনও অসুবিধে হবে না।
- দু'মিনিট জিরিয়ে নিন। তারপর না হয়। হাফ-কিলোমিটারের মধ্যে একটা ডিসপেনসারি আছে।
- দত্ত মেডিকেল তো? হ্যাঁ চিনি। সে'দিকেই যাব ভাবছি।
- হাঁটু-টাঁটুও চেক করে নিন...। ঠিকই আছে অবশ্য যা মনে হচ্ছে। এক মিনিট, আমার ব্যাগে একটা জলের বোতল আছে। একটু চোখে মুখে দিন...।
- থ্যাঙ্কিউ। কিন্তু ইয়ে, আপনার কাঁধে তো কোনও ব্যাগ-ট্যাগ দেখছি না...।
- এই দেখেছেন, ব্যাগটা ফেলে এসেছি স্পটে।
- স্পটে?
- বেহেড মাতাল ট্রাক ড্রাইভারটা আপনার স্কুটারকে চেপে দেওয়ার মিনিট দশেক আগে আমার সাইকেলটা রগড়ে দিয়ে গেলো বুঝলেন। ব্যাটার গতিপ্রকৃতি দেখেই ঠাউরেছিলাম এমন আরও কাণ্ড ঘটাবে আজ। হতচ্ছাড়াকে একবার হাতের কাছে পেলে...।
No comments:
Post a Comment