Saturday, November 25, 2023

হবু গোয়েন্দা

- কিছু মনে করবেন না..আপনি গোয়েন্দা?

- আজ্ঞে?

- আপনি গোয়েন্দা?

- কই না তো। আমি বার্ন্স অ্যান্ড বার্টিতে অ্যাকাউন্টান্ট। অবশ্য..একটা প্রমোশনের সম্ভাবনা আছে সামনের মাসে..তা'হলে হব গিয়ে সিনিয়র অ্যাকাউন্টান্ট।

- সে রামায়ণ শুনে আমি কী করব বলুন তো?

- তা ঠিক৷ আমার চাকরীটা এত আলুনি৷ কিন্তু আপনি মানুষটা কিন্তু বেশ ইন্টারেস্টিং৷ কেমন দুম করে ছুটির দুপুরে নিরিবিলি বাসস্টপে দাঁড়িয়ে থাকা একজনকে জিজ্ঞেস করে বসলেন সে গোয়েন্দা কিনা৷ মারাত্মক ব্যাপার।

- আপনার চাউনিতে একটা তীক্ষ্ণ ব্যাপার ছিল মনে হল৷ তার ওপর ইয়া লম্বা হাইট। ছিপছিপে চেহারা। ডান হাতে রিস্টওয়াচ। টুক করে মনে হল, আপনি হয়ত গোয়েন্দা।

- ডান হাতে রিস্টওয়াচে গোয়েন্দা?

- ও আপনি বুঝবেন না।

- তা, এ'রকম অদ্ভুত জিনিসপত্র কি মাঝেমধ্যেই আপনার মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়?

- আমার প্রফেশনটাই সে'রকম কিনা।

- কী'রকম?

- আমি সিনেমার গল্প লিখি।

- আরিব্বাস। তবে, আমি বলেছিলাম না আপনি মানুষটা ভারি জম্পেশ। যাকগে, আলাপট সেরে নিই৷ আমি অভিষেক দত্ত। আপনি?

- মুকুল রায়৷

- কতগুলো সিনেমা লিখেছেন আজ পর্যন্ত?

- মিনিমাম সত্তরটা।

- বলেন কী! আপনি তো মশাই ইন্ডাস্ট্রি।

- নিজের মুখে নিজের ব্যাপারে বেশি কিছু বলা উচিৎ হবে না।

- কতগুলো হিট হয়েছে? দু'চারটে নাম ছাড়ুন না মশাই। সিউডোনেমে লেখেনটেখেন না তো?

- সিনেমার গল্প লিখেছি খান সত্তর। রোম্যান্টিক, অ্যাকশন, থ্রিলার, পাঁচমেশালি স্বাদের..কিছুই বাদ যায়নি৷ কিন্তু ইয়ে, এখনও একটাও বিক্রি হয়নি।

- ওহ্। কিছু যদি মনে না করেন, একটা কথা বলি।

- কী?

- আমাদের অফিসে একটা ক্লার্কের পোজিশন খালি আছে৷ বড়সাহেবের সঙ্গে আমার একটা ভালো ইয়ে আছে। আমি যদি রেকোমেন্ড করি..।

- থামুন মশাই৷ আমি ক্রিয়েটিভ জগতের মানুষ, ও'সব চাকরিবাকরি থেকে শতহস্ত দূরে।

- তা, আপনি কি কোনও কারণে গোয়েন্দার খোঁজ করছেন মুকুলবাবু?

- একটা গোয়েন্দা গল্প না লিখলেই নয় এ'বার৷ কিন্তু ও'টাই আবার আমার একটু উইকস্পট বুঝলেন৷ দিস্তে দিস্তে ডিটেকটিভ নভেল পড়েও কিছু হচ্ছে না, এগোতে পারছি না৷ তাই একটা হাতেগরম কোনও ডিটেকটিভ পাকড়াও করতে পারলে তার লেজুড় হয়ে না হয়..।

- ওহ, আই সী।

- একটা আসল গোয়েন্দার তোপসে বা অজিত হয়ে ক'দিন ঘুরঘুর করতে পারলে একটা মারকাটারি গোয়েন্দা গল্পের প্লট নামানো যাবে৷ আর মার্কেটের যা অবস্থা, ও জিনিস একটু ওপর-নীচ হলেও চলে যাবে। প্রোডিউসাররা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে, নভেলে গোয়েন্দা শব্দটা বারদশেক থাকলেই সে' গপ্পকে স্যাট করে তুলে নিয়ে সিনেমা বানিয়ে ফেলবেন।

- বটে? মাইরি?

- মার্কেট তো তেমনই বলছে।

- বেশ। অল দ্য বেস্ট৷ ওই আমার বাস আসছে। অল দ্য বেস্ট মুকুলবাবু৷ চোখকান খোলা রাখুন, ডিটেক্টিভ নিশ্চয়ই জুটে যাবে।

- ইয়ে, অভিষেকবাবু। এমন চমৎকার গোয়েন্দাসুলভ চাউনি আপনার৷ একটু ডিটেকটিভগিরির চেষ্টা করে দেখবেন নাকি?

- দেখব?

- আপনি চেষ্টা করলে বড় উপকার হয় আমার। অনেকদিন খুঁজে দেখলাম তো। গোয়েন্দা ব্যাপারটা বেশ সহজলভ্য নয় যা বুঝছি।

- উম..আপনি এমন মাই ডিয়ার ভাবে বলছেন যখন..একটা চেষ্টা করে দেখতে পারি৷ ওই তো, এক হাতে ক্লু, অন্য হাতে ডিডাকশন। তাই না? তবে চাকরিটা ছাড়তে পারব না মশাই। সামনের মাসে প্রমোশনটা হওয়ার হাই চান্স। বারো পার্সেন্ট ইনক্রিমেন্ট।

- ও মা। চাকরি ছাড়বেন কেন? লোকে দিনেরবেলা চাকরি করে সন্ধ্যেবেলা টিউশনি পড়ায় না বুঝি? আপনি গোয়েন্দাগিরি করবেন।

- বেশ। ওই কথাই রইল।

- তা'হলে আপনাদের অফিসের ওই ক্লার্কের পোজিশনটায় ঢুকে যাই? আপনাকে অবজার্ভ করতে সুবিধে হবে।

- আশা করি উচ্চমাধ্যমিকটা পাশ দেওয়া আছে?

- গ্র্যাজুয়েট। বিএ। অনার্স আছে।
- বাহ্। বাসে উঠে আসুন। কথাবার্তা এগিয়ে নেওয়া যাবে।

ঝাল



- আড়াইশো গ্রাম পকোড়া দিন।

- আসুন৷ এই যে।

- আর ওই...ফাউ লঙ্কাটা?

- ওই যে, ঠোঙার মধ্যে দিয়ে দিয়েছি।

- *ঠোঙার ভিতরে উঁকি মেরে* থ্যাঙ্কিউ। কিন্তু। ইয়ে। আর সামান্য যদি..মানে এক্সট্রা..।

- নিশ্চয়ই৷ নিশ্চয়ই। এই যে।

- থ্যাঙ্কিউ থ্যাঙ্কিউ থ্যাঙ্কিউ।

- হে হে হে।

- হে হে হে।

- উম...আরও একটু দেব নাকি? লঙ্কা?

- হে হে হে৷ মানে, দিলে ভালো হয় আর কী৷

- এই যে৷ আর দু'টো।

- কী বলে যে আপনাকে..।

- আরে, এ আর এমন কী।

- হে হে হে।

- হে হে হে।

- হে হে হে।

- আর ফাউ লঙ্কা দেওয়া সম্ভব নয় কিন্তু।

- সত্যিই সম্ভব নয়৷ তাই না?

- ব্যাপারটা হয়েছে কী, এ'দোকানে পকোড়ার সঙ্গে ভাজা লঙ্কা ফাউ৷ লঙ্কার সঙ্গে পকোড়া ফাউ হলে না হয়..।

- সত্যি তো। ইয়ে, এক কাজ করুন। আরও আড়াইশো লঙ্কা, থুড়ি, আরও আড়াইশো গ্রাম পকোড়া দিন দেখি।

- হে হে হে।

- হে হে হে।

- দিই কেমন?

- দিন।

- সঙ্গে চাটনি-টাটনি কিছু দেব?

- চাটনি?

- লাল টক মিষ্টি চাটনি। অথবা ঝাল আর চটপটে সবুজ চাটনি।

- অ। না, চাটনি থাক৷ তার বদলে এক্সট্রা দু'পিস লঙ্কা যদি পাওয়া যায়...।

- হে হে হে।

- হে হে হে।

বেলজুঁই



- সিগারেট আছে রে?

- নেই।

- নেই?

- আমার কাছে থাকবেই বা কেন?

- ওহ্।

- এক মিনিট, তুই আজকাল সিগারেট ধরেছিস?

- তা ধরিনি। তবে কিনা আচমকা মনে হচ্ছে যে আঙুলের ফাঁকে সে জিনিস থাকলে একটা মজবুত ইয়ে তৈরি হত।

- ইয়ে?

- মেজাজ।

- অ। মেজাজ।

- মেজাজটাই তো আসল রাজা।

- তা ঠিক৷ তবে, হঠাৎ এই সিগারেটিস্ট মেজাজের দরকার পড়ল কেন?

- আজ তার চিঠি পেয়েছি। হাতে হাত চালান করেছে৷ তা'তে হুহু নেই, হাউহাউ আছে৷ ঢলে পড়া নেই, কানমলা আছে৷ সে ভারি বুকভাঙা চিঠি। এই গোলমেলে সময়ে একটা শাঁসালো নেশা না বাগানোটা বেআইনি বোধ হয়৷

- ব্যাপারটা সিরিয়াস।

- ব্লাডশেড।

- এই সিচুয়েশন তো তা'লে সিগারেট দিয়ে ম্যানেজ হবে না ব্রাদার। ইউ-বোটের দলকে নিরস্ত করতে জলবেলুন দাগলে চলবে কেন ভায়া চার্চিল?

- তবে? উপায়?

- বিড়ি বাদ দে। বেলজুঁইয়ের নেশা ধর।

ঘ্যানঘ্যানিস্টস



ঘ্যানঘ্যান করতে পারার মত হাইকোয়ালিটি তৃপ্তি খুব কম ব্যাপারেই আছে৷

পুজো আসছে মনে হলেই ঘ্যানঘ্যান করব "আহা! ছেলেবেলার পুজোর সে ফ্যান্টাস্টিক আমেজ আর কি আছে? নেই নেই নেই। সবই ডকে, সবই গোল্লায়"।

ও'দিকে পুজো কেটে গেলেই ঘ্যানঘ্যান করব, "ধেচ্ছাইছাতারমাথাভাল্লাগেনাকাঁচকলা৷ টুক করে এসে ফুস্ করে হাওয়া! সামনের বছর মহালয়াটা কত তারিখে পড়েছে"?

আমি শরতের আকাশ দেখে ঘ্যানঘ্যান করব "বাড়ি যাব বাড়ি যাব বাড়ি যাব বাড়ি যাব"৷

কিন্তু অন্য কেউ শরতের নীল আকাশ সাদা মেঘ দেখে সামান্য উদাসটুদাস হলেই তাকে নেকুপাহাড় বলে রামঘ্যানঘ্যান করে তার গুষ্টির পিণ্ডি চটকাবো।

ঘ্যানঘ্যানানি না থাকলে সাহিত্য-সিনেমা-আলুকাবলি কিছুই থাকত না বোধ হয়৷

প্রতিদ্বন্দ্বী

- আরে! অরিন্দমবাবু যে। আসুন আসুন। কী সৌভাগ্য৷ কদ্দিন পর এ'পাড়ায় এলেন বলুন দেখি?

- আসলে সমরেশবাবু..।

- কথা পরে৷ কথা পরে৷ আগে চা বলি? চাও খাবেন না বললে শুনছি না কিন্তু।

- বেশ তো।

- সঙ্গে একটা ফিশফ্রাই? প্লীজ না বলবেন না৷

- না না৷ দুপুরে ভরপেট ভাত খেয়ে বেরিয়েছি..।

- ওউক্কে। বিশে, চট করে দু'কাপ চা দিয়ে যা৷ দেখিস, স্পেশ্যালটা আনিস। আর ইয়ে, চারটে ওই জিরে দেওয়া বিস্কুট আনিস তো৷
- সমরেশবাবু..।

- আপনার নতুন ফিল্মের পোস্টারটা দেখেছেন তো? গোটা শহরজুড়ে এক্কেবারে হইহইরইরই লেগে গেছে..। এখনও রিলীজ হল না অথচ ইতিমধ্যেই বম্বে থেকে রাইট চেয়ে কতগুলো চিঠি পেয়েছি জানেন? প্রডিউসার হিসেবে এ যে কী গর্বের ব্যাপার..।

- আমার ফিল্ম? এ'সব শুনলে আজকাল হাসি পায়।

- পোস্টারে তো আপনার হাসির জেল্লাই কামাল করেছে৷ ফিমেল পপুলেশন তো শুনেছি হলে উপচে পড়ার জন্য হাপিত্যেশ করে বসে আছে মশাই৷ আসুন, চা।

- ওই হাসি আমার নয়৷ ও'টাও আমি নই।

- আহ্৷ মানছি আপনার এআই অবতার নিয়েই ফিল্মের কাজ হয়েছে৷ কিন্তু ইন্সপিরেশন তো আপনিই৷ রয়্যালটিও আপনারই প্রাপ্য৷ পায়ের ওপর পা তুলে বসে যে টাকাটা আয় করছেন, সে'টাও তো নেহাৎ কম নয়৷ কী বলেন?

- সমরেশবাবু! আমি অভিনেতা! অভিনয় করে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, একের পর এক নতুন চরিত্রে নিজেকে ডুবিয়ে দিয়ে, দর্শকের হাততালি কুড়িয়ে; তবে আমার রোজগার করার কথা৷ অথচ গত আড়াই বছরে একদিনও আমি শুটিং ফ্লোরে যাইনি। আমায় বাঁচান আপনি..।

- স্ট্রেইঞ্জ৷ ফ্লোরে না গিয়ে টাকা গুনছেন, ইউ শুড বি মাইটি প্লীজড।
- আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে যে৷ রঞ্জনবাবু, বা দীপক সামন্তদের মত ক্যারেক্টার আর্টিস্ট তো বেশ করে খাচ্ছেন।

- ওদের এআই অবতারগুলো বাজার খেলো না। তাই তাদের এখনও গায়েগতরে খাটতে হচ্ছে। কিন্তু আপনি কামাল করে দিলেন৷

- গোড়ার দিকে আমি ঠিক ভাবতে পারিনি যে এই এআই ব্যাপারটা এমন হাতের বাইরে চলে যাবে..।

- মিথ্যে বলব না, ভালোবেসে ফকির সিনেমায় যখন প্রথমবার আপনার এআই অবতার ব্যবহার করলাম, নিন্দের যা ঝড় উঠেছিল তা'তে ঘাবড়েই গেছিলাম৷ অমন মায়াবী হাসি নাকি এআই দিয়ে রিক্রিয়েট করা যাবে না। সে কী'সব ওপিনিওন। বাঙালির হার্টথ্রব অরিন্দমের ক্যারিস্মা নাকি এআই-য়ের মাধ্যমে তুলে ধরা অসম্ভব৷ আমরা নাকি অভিনয়ের আর্টটাকে খুন করছি৷ উফ! মিডিয়া, দর্শক, ক্রিটিক; সক্কলে মিলে কয়েক হপ্তা আমাদের কী ধোলাইটাই না দিলে৷ অথচ দেখুন, স্রেফ কয়েক হপ্তার মধ্যেই সবাই আপনার এআই অবতারে কেমন মজলে।

- সমরেশবাবু। প্লীজ, আমায় একটা সুযোগ দিন। একবার আমায় ফ্লোরে নেমে নিজেকে প্রমাণ করতে দিন..।

- অরিন্দমবাবু৷ কেন আমাদের লজ্জায় ফেলছেন।

- প্লীজ৷ আমি শিওর আমি আবার স্ক্রিন মাতিয়ে ফেলতে পারব..।

- আমার বলতে খারাপ লাগছে অরিন্দমবাবু৷ কিন্তু ইউ আর ডিলিউডিং ইওরসেল্ফ। আপনি নিজেকে ঠকাচ্ছেন৷ আজকালকার দর্শক মহানায়কের মধ্যে যে ফ্লেক্সিবিলিটি দেখতে চায় সেই ব্যাপ্তি অফার করা আপনার পক্ষে পসিবল না৷ শুনুন, আমার পরের ফিল্ম- কলকাতায় গডজিলা; সে'খানে জ্যাপানিজ টুরিস্টের ভূমিকায় অভিনয় করছে আপনার নতুন এআই অবতার। নিখুঁত জাপানি চেহারা, নির্ভুল উচ্চারণ, শানানো হাবভাব; অথচ আপনার লেডিকিলার স্পেশ্যাল স্টাইলটা বাদ যাচ্ছে না৷ অন টপ অফ ইট; আপনি বাড়ি বসে পাচ্ছেন রয়্যালটির মোটা টাকা। উইন উইন।

- বেশ। শুনুন সমরেশবাবু৷ আমি ঠিক করেছি আমার এআই অবতার ব্যবহার করার পারমিশন আর দেব না।

- এক্সকিউজ মি?

- ঠিকই শুনেছেন৷ অভিনয়ের সুযোগ না পেলে আমার চেহারা বা নাম আমি কোনও সিনেমায় ব্যবহার করতে দেব না।

- কিছু মনে করবেন না মিস্টার অরিন্দম৷ ইন্ডাস্ট্রি আপনাকে রয়্যালটি অফার করে আউট অফ রেস্পেক্ট৷ বাধ্য হয়ে নয়। এককালে আপনি ইন্ডাস্ট্রিকে টেনেছেন৷ তাই সামান্য প্রণামী আপনার পকেটে গুঁজে দেওয়া হয়৷ আপনি যদি নিজের অবতার ব্যবহারের অনুমতি না দেন, সে অবতারের হাসি নাক চোখ সামান্য পালটে আমরা তাকে অরিন্দম থেকে অরুণকুমার করে নেব। আইনি মারপ্যাঁচ পাশ কাটানো গেল, আর পাবলিকেরও তা'তে কিছু এসেযাবে না। আপনি ত্যাঁদড়ামো করলে আমরা চুপ করে বসে থাকব কেন বলুন..।

- কী বলছেন আপনি সমরেশবাবু..।

- ঠিকই শুনেছেন৷ চায়ের কাপটা অনেকক্ষণ পড়ে আছে৷ এক চুমুকে শেষ করে এ'বার আসুন৷ আমার বিস্তর কাজ জমে আছে।