Sunday, March 20, 2016

কোহলিয়

সুইসাইড নোটে 'তোমরা ভালো থেকো আমি চললাম' বা 'এ দায় কারুর নয়' গোছের কথা লেখা কী বোরিং।

তাই ভেবে সদ্য লেখা চিরকুটটা দলা পাকিয়ে ওয়স্ট পেপার বাস্কেটে ছুঁড়ে ফেললেন সমরবাবু।

নতুন করে লেখা শুরু করলেন;

"
অনু,

সমস্ত প্ল্যান মাফিক চলছিল। সমস্তই। জীবন ইডেন গার্ডেন্স। উচ্ছল।  প্রানবন্ত। হুজুগে। প্রেমের পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়ে শুরুতেই শায়েস্তা করে ফেলেছিলাম। এরপর টুকটুক ব্যাটিংয়ে সে পাতি টার্গেট চেজ করে বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। ওই যেমনটা থাকে আর কী। কেক-ওয়াক। হাতের মোয়া গোছের।

গড়বড় করে দিলে টপাটপ তিনটে বাজে উইকেট, থুড়ি তিনটে খুব অসভ্য গোছের ঝগড়া। আচমকা সন্দেহের জুজুতে কাঁপিয়ে দিয়েছিল পিলে-পিচ। অকারণ স্পিনের ভয় আর অকারণ সন্দেহর খোঁচা; একইরকম বিষাক্ত।

তখন। ঠিক তখনই আমার বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর কথা ছিল। কাঁধে হাত রেখে বলার কথা ছিল 'ধুর বোকা, তোমার রাগ আমার লক্ষ্মী।  ঝগড়াকে ডরাই ভেবেছ? সব ধুইয়ে মুছিয়ে দেব। সমস্ত সইয়ে নেব। যেওনা প্লীজ। তুমি গেলে সব শেষ। থাকো। থাকো'।

বলা হল না। হল না। ভেসে যাওয়া আটকানো হল না। আমার বিরাট কোহলি হওয়া হল না।

চলি। প্রেসেন্টেশন সেরিমনিতে যদি আসো, তাহলে ওই সবুজ সিল্ক চাপিয়ে এসো। প্লীজ। কেমন? হালকা লিপস্টিক আর কাজল, এর বেশি কিছু হলেই মাখিয়ে একাকার করে ফেলো।

ইতি সমর"।

চিঠিটা বার তিনেক পড়ে নিশ্চিন্ত হলেন সমরবাবু।

পড়ার টেবিলের ড্রয়ার থেকে গত মাসের স্পোর্টসস্টারটা বের করে সে'টাকে হাত পাখার মত করে ধরে হাওয়া করতে শুরু করলেন; আচ্ছা লোডশেডিংয়ের খপ্পরে পড়া গেছে - ধুস।

Thursday, March 17, 2016

মওকাভারত

দ্রৌপদিও গেল। দ্রৌপদিও গেল। 

যুধিষ্ঠিরের মাথায় হাত। ভীমের দাঁত কিড়মিড়। অর্জুনের হাত কামড়ানি। নকুলের মাথা চুলকানি। সহদেবের হাই তোলা।

দুঃশাসন আবদার করে দুর্যোধনের কানে কানে বললে "দাদা গো, আমি তবে যাই? বৌদিদি...থুড়ি...পাঞ্চালী দাসী কে হিঁচড়ে টেনে আনি? যাই? খেলা তো শেষ। তাঁকে ধরে এনে একটু পাণ্ডবদের কাছায় টান দিই তবে?"। 

দুর্যোধনের মুখে তখন বাঁকা হাসি, "রোক্কে ভাইটি রোক্কে। যুধুদাদা সব এখনও হারেনি। এখনও হারেনি। দাদাটি চাইলেই এখনও খেলা চলতে পারে"। 

হই হই রই রই পড়ে গেল সভা জুড়ে। যুধিষ্ঠির এখনও সব খোয়াননি তবে? কী রয়েছে বাকি?

"কী বলছ ভাই দুর্য? সবই তো হেরে গেলাম!", যুধিষ্ঠির তখন ভাজা মাছ দেখলে নিজে উলটে যাওয়ার উপক্রম করতে পারেন। 

শকুনির দিকে চোখ টিপে এবার জ্যেষ্ঠ গান্ধারী পুত্র যুধিষ্ঠিরকে বললেন, "কই দাদাভাই, মানিব্যাগে যে ইন্ডিয়া পাকিস্তান ম্যাচের ইডেন টিকিটটা রাখা আছে, এবার সে'টা তবে পাশায় চড়ানো হোক"। 

"ও কী কথা ভাইটি। ইডেনে পাকিস্তান ম্যাচ, সে টিকিট জুয়ায় দেব? ধর্মে সইবে না যে ভাইটি। বাজে কথায় কাজ নেই। ও'সব মন্দ দিকে মন দিও না বাবা দুর্যো। যাও তো ভাই দুঃশাসন, বৌদিকে ডেকে নিয়ে এসো দেখি। দুর্যোধনের খালি অকাজের কথা"।

মুকুল সামন্তের মানিব্যাগ

মানিব্যাগটা বেশ পুরনো তবে ছেঁড়া নয়। 

মানিব্যাগ থেকে সাত-পুরনো বাসের টিকিট বেরোল খান চারেক। একটা পাঁচশো টাকার নোট, তিনটে একশো টাকা। খুচরো মিলে আরও বত্রিশ টাকা। একটা ট্রেনের মান্থলি; বৈদ্যবাটি টু হাওড়া। সাথে একটা টু হুইলারের লাইসেন্স।  মুকুল সামন্ত। মুকুল। সামন্ত। তাহলে আমার নাম মুকুল সামন্ত। মাথার ঢিপঢিপটা অসহ্য লাগছে। পার্কের বেঞ্চিতে এলামই বা কী করে কে জানে। গায়ে অসহ্য ব্যথা। 

মানিব্যাগে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি। মহিলার। দিব্যি দেখতে। আমারই পাশাপাশি বয়স। বৌ? সম্ভবত! পকেটে ফোন নেই। ঝেড়ে দিয়েছে। যারা নিয়েছে তারাই কি মারধোর করে পার্কের বেঞ্চিতে শুইয়ে রেখে গেছে? তারা চম্পট দেওয়ার আগে মানিব্যাগটা নিয়ে গেল না কেন? 

শার্টের ওপরের দু'টো বোতাম ছেঁড়া। চোয়ালে ব্যথা। কম মারধোর করেনি শালাগুলো। পার্কটা এখনও ফাঁকা। ভোরের আলো সবে ফুটতে আরম্ভ করেছে। আহ্‌। বাড়িতে সবাই না জানি কত চিন্তা করছে। আরেকবার মানিব্যাগ বের করে পাসপোর্ট সাইজ ছবিটা দেখলাম; মুখটায় বেশ একটা লক্ষ্মীশ্রী আছে। অনেক খুঁজেও মোবাইল নম্বর কোন পাওয়া গেল না। লাইসেন্সে দেওয়া ঠিকানাটাই ভরসা। আহ। বৌটা বড় চিন্তা করছে। ঘিলু নড়ে গেলে কী ফাঁপরেই না পড়তে হয়। 

খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পার্ক ছেড়ে বেরোতে হল। হাঁটুতেও রীতিমত চোট। হারামিগুলো কী মারটাই না মেরেছে। যেহেতু মাথা থেকে সমস্তটাই বেরিয়ে গেছে, সেহেতু আর ঠিক কী কী খোয়া গেছে সে'টা বোঝা যাচ্ছে না।

আর একবার মানিব্যাগ খুলে ছবিটা দেখে নিলাম। নীল শাড়ি। টলটলে চোখ। বৈদ্যবাটির জন্য মনটা এবার রীতিমত আনচান করে উঠলো। 

পার্কের মেনগেটের পাশেই একটা চায়ের দোকান নজরে এলো। সবে উনুন ধরিয়ে সসপ্যান চাপিয়েছে। এক কাপ চায়ের অর্ডার দিয়ে বেঞ্চিতে বসলাম। চা'ওলা একটা ছোকরা ছেলে। চটপট চায়ের ভাঁড় এগিয়ে দিল। তার বাড়িয়ে দেওয়া হাত থেকে মাটির ভাঁড়টা নিয়ে উষ্ণ চুমুক দিতেই প্রাণে একটু শান্তি এলো। একটা লেড়ো চাইলাম। লেড়ো চেয়ে চা'ওলা ছোকরার চোখে চোখ পড়তেই হঠ্‌ করে একটা গণ্ডগোল হয়ে গেল। 
বিশ্রীভাবে সে ছোকরার ভুরু কুঁচকে গেল। লেড়ো দেওয়ার বদলে যে'টা ঘটল তাতে মাথাটা গেল ঘুরে। 
আমার জামার কলার টেনে ধরল সে! 
"শালা ঢিট! এত মার খেয়েও পকেটমারা মানিব্যাগ নিয়ে দিব্যি গুপি হয়ে গেলি কাল? এবার দেখি কোথায় যাস! অ্যাই কেতো এদিকে আয়। দ্যাখ ব্যাটাকে ফের ধরেছি। কাল রাতের অন্ধকারে ব্যাটা পার্কে গিয়ে লুকিয়েছিল"। 

এক ধাক্কায় মাথার দমবন্ধ করা জটটা গেল কেটে আর শ্রীমান কেতো উদয় হওয়ার অনেক আগেই চা'ওলা ছোকরার চোয়ালটা গেল উড়ে। গায়েব হওয়ার আগে চা'ওলা ছোকরার পকেটকে নিষ্কৃতি দেওয়ার কোন মানেই হয় না। দিলামও না। মোড় পর্যন্ত দৌড়ে এসে ভোরের বাসে উঠে পড়ে দম নিলাম। সবার আগে বৈদ্যবাটির মানিব্যাগটা থেকে পাসপোর্ট সাইজ ফটোখানা বের করে কুচিকুচি করে ছিঁড়ে কাঁচা সকালের বড়রাস্তার নিরিবিলিতে ছড়িয়ে দিলাম। 

Monday, March 14, 2016

মাঝমাসের হিসেব

সমস্ত খারাপ।
সমস্ত ভালো।
তার মাঝে অন্ধকার।
অন্ধকারে মধ্যিখানে হ্যারিকেনের অল্প হলুদ আবছায়া।
আবছায়াকে চাদর করে জড়িয়ে ধরে দু’জন।

-   হাতে কত আছে?
-   পাঁচশো বত্রিশ।
-   ব্যাঙ্কে?
-   আড়াই মত।
-   আজ চোদ্দ। মানে আরও সতেরো দিন।
-   মুদি পায় সাড়ে সাতশো।
-   ক্যালামিটি। ক্যালকুলেটর বের করো।
-   ব্যাটারি শেষ।
-   ডায়েরিতে লেখো।
-   ডট পেনটা লিক্‌ করেছে।
-   উফ। মুখে হিসেব রাখো।
-   মেন্টাল ম্যাথ? আমি? দীপক চ্যাটার্জি? মাধ্যমিকে বেয়াল্লিশ আর উচ্চমাধ্যমিকে বাহান্ন?  
-   অসহ্য। মুদি সাড়ে সাতশো। ধোপা দেড়শ। ইলেকট্রিক বিল সাড়ে ছ’শো। মানে সব মিলে সাড়ে পনেরোশো।
-   ঈশ। লোডশেডিং আরেকটু বেশি হলে বিল আরেকটু কম হত।
-   উফ্‌।
-   তোমার নাম উফ্‌কুমারী দিলে ল্যাঠা চুকে যেত।
-   এরপর আর কী রইল?
-   আমার বাস। তোমার অটো। দু’টো মিলে সাড়ে তিনশো।
-   কী হবে বাবু?
-   মুর্গি বাদ। সে’টা অবশ্য গুড নিউজ। চোয়াল দুদণ্ড জিরোতে পারবে। কাতলাটাও মনে হয় গেল, তাই না?
-   খিচুড়ি আর ফ্যানাভাত। অল্টারনেট্‌লি। আলুসেদ্ধ। ডিমের অমলেট।
-   হাঁসের?
-   নাহ! গরম পড়েছে। দাম বেশি। তাতেও টেন পার্সেন্ট পচা বেরোবে।  
-   ঘিয়ের স্টেটাস কী?
-   এ মাস কুলিয়ে যাবে।
-   তবে আর কী।তোফা! তবে গিয়ে ইয়ে, টোটাল কত দাঁড়াল?
-   উনিশশো।
-   ক্যাশ আর ব্যাঙ্ক মিলে প্রায় তিন হাজার। মানে হাতে রইবে এগারোশো।
-   আনাজপাতি?
-   কত?
-   মিনিমাম পাঁচশো।
-   সর্বনাশ। হাতে রইবে সাড়ে ছ’শো।
-   সাড়ে ছ’শো না। দেড়শ।
-   এই তুমি অঙ্কে লেটার? থ্রি থাউজ্যান্ড মাইনাস ইলেভেন হান্ড্রেড মাইনাস ফাইভ হান্ড্রেড।
-   মাইনাস আনাদার ফাইভ হান্ড্রেড করো।
-   ওহ! চটি? পর্দা?
-   ইডেন। উনিশে।ভার্সেস পাকিস্তান। পাঁচশো।
-   পাঁচশোয় জোড়া টিকিট? ধুস।
-   তুমি দেখে এসো।
-   পতির পুণ্যে সতীর ইয়ে?
-   ছড়িও না। ডার্বি থাকলে আমি যেতাম।
-   ফুটবল কোন খেলা হল গো?
-   বাঙাল শালা। কী বুঝবে তুমি ফুটবলের?
-   আমি ফুটবলের অবশ্য তেমন খবর রাখি না। তবে ইস্ট বেঙ্গল মোহন বাগান হেড কাউন্টটা সব সময় পকেটে নিয়ে ঘুরি। ঘটি-হেড গিলোটিনে দিতে সুবিধে।
-   তোর হচ্ছে!
-   তুই? তুমির প্ল্যান শেষ? রিসল্ভ্‌ খতম? মোহনবাগানের এই এক দোষ। অল্পে ডিস্‌ব্যালান্স হয়ে যাওয়া।
-   এই যে। ব্যাল্যান্স সম্রাট! হাত পা ব্যাল্যান্স না করতে পেরে দিলেন হ্যারিকেন উলটে। নতুন কাঁচ কুড়ি টাকা, পনেরো টাকার কেরোসিন।

অন্ধকার এক মুঠোর বালির মত ছড়িয়ে পড়ে চোখে নাকে মুখে।
ছেঁড়া পর্দা সামান্য লজ্জায় জানালার বাইরে ঘুরে তাকায়। হাওয়া অল্পই।
“আমায় ছেড়ে যাবি না তো দীপু?”র অপ্রয়োজনীয় আবদার ঢেউ হয়ে ঘরময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। সমুদ্র স্ফীত হয়। স্বর্গদ্বার কলকাতার ঘুপচি খুঁজে নেমে আসে। ঘরের স্যাতলা পড়া গন্ধ ছাপিয়ে; শ্মশান-রাতের মিঠে হাওয়া ঘুরপাক খেয়ে আছড়ে পড়ে দীপক চ্যাটার্জীর বোতাম খোলা ফতুয়া-কবচে। 

Sunday, March 13, 2016

লেখা ও রাগ

আমাদের রাগ যতটা বেড়েছে, রাগ লিপিবদ্ধ করার ভাষা তার সাথে তাল রাখতে পারেনি। রাগ লক্ষ্মী। দোষ রাগের নয়। 

আমাদের মেজাজের পাত্র কানায় কানায় পূর্ণ; সামান্য দুলুনিতেই চলকে ওঠে। জাতি হিসেবে মেজাজ হারানোর ছেলেখেলার সময় আমরা বহু আগেই পেরিয়ে এসেছি। ক্ষোভে ফেটে আদ্যোপান্ত ভাবে রাজনৈতিক হুঙ্কার; ও'তে রাগের তেষ্টা মেটে না।   আমাদের বিরক্তিও ভাষার কাঁচের ছাত ভেঙ্গে ফেলেছে অবলীলায়।  বঙ্কিমি বা সঞ্জীবি সারকাজ্‌মের ব্লেডে আজকাল বড় জোর বইয়ের মলাটের কাগজ কাটা যায়, ও ব্লেডে দাড়ি কাটলে টেবিল চাপড়ানো মেজাজের গালে সেপ্টিক। লে হালুয়া সারকাজ্‌মের মাখনে ছুরি হয়ে ঢুকতে পারছে না আর। 

আমাদের রাগ প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েছে। আজকাল রাগ-বিরক্তি-সারকাজ্‌ম "গাঁড় মেরেছে" না লিখলে ঠিক আউটলেট পায় না। অবশ্য আমরা শান্তিনিকেতন ভালোবাসি। কাজেই সফিস্‌টিকেশনের দাবীতে "মার গেঁড়েছে" লিখলে স্টাইলটা দাঁড়ায় ভালো। 

অসুবিধে হল; লেখার বাংলা, পড়ার বাংলা যথেষ্ট স্মার্টলি ইভল্ভ করে পারেনি। যে ভাষা রাগতে পারে না, তার আবার আই-কিউ আছে নাকি? মুজতাবা টু শীর্ষেন্দু যে লঞ্চিং প্যাড দিয়েছেন, তাতে ভাষা ঠিক সহজে মার গাঁড়তে পারছে না। আমাদের অসুবিধে হচ্ছে। গলার কাছে এসে ইমোশনগুলো দলা পাকিয়ে যাচ্ছে, ভাষার অভাবে লাফিয়ে বেড়িয়ে এসে ভিন্ন মতাবলম্বীদের গলার টুঁটি টিপে ধরতে পারছে না। 

খিস্তিকে শুধু কথার প্রয়োজনে বাঁধলে চলবে? লুঙ্গি পরে যদি পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে চায়ের ভাঁড় হাতে আড্ডা দেওয়া যায়, লুঙ্গি পরে তবে টেস্ট ম্যাচ খেলা যাবে না কেন? এ ন্যাকামিতে আধুনিক বাঙালির এসে যাওয়া উচিৎ নয়; থুড়ি...এ ন্যাকামিতে আমাদের বাল ছেঁড়া যাওয়া উচিৎ...থুড়ি...লাব ছেঁড়া যাওয়া উচিৎ। 

যে রাগে ফেসবুক স্টেটাস মার গেঁড়েছে বলে গুমরে উঠতে পারে না; সে রাগ আর যারই হোক বাঙালির নয়। 

পুনশ্চ - সাহেবদের ভাষায় সারকাজ্‌মের সাবলীলতা অনন্য এবং অন্য। উডি এলেনের স্ক্রিপ্টের বাংলা অনুবাদ বোধ হয় হওয়া উচিৎ নয়। তবে তাদের সারকাজ্‌মে একটা হাতে গরম মজাদার ফাঁক যখন পাওয়া গেছে, সে ফাঁককে বাঙলায় গড়েপিটে না নেওয়ার কোন মানে হয়?