লিওপোল্ড’এর লালচে আলো মাখা সন্ধ্যের আঁচ, আধ ঘন্টার মধ্যে যেকোনো মগজে ঝিম নামিয়ে দিতে পারে, মাতাল সহকর্মীগুলোর সঙ্গে মুম্বাই’এর এই পান-তীর্থে এসে বুঝলাম যে কলকাতার দিবাকর সান্যালের জাজমেন্টটা নেহাত ফালতু নয়। টেবিলে সহকর্মীদের এক ঘেয়ে এলকহোলিক আড্ডাবাজি থেকে উঠে এসে, বার ঘেঁষে একটা আরাম-টুলে বসলুম। গেলাসে মন দেব, এমন সময় কাটোয়া লোকাল ছাপ চাহিদা ভেসে এলো; “দাদা দেশলাই আছে?”।
Saturday, November 20, 2010
Tuesday, November 16, 2010
রোগ-সুন্দর
ভাইরাল, জ্বর-গলা ব্যথা-চোখ লাল-জ্বিভ বিস্বাদ! তবে এসব যন্ত্রণা সহ্য করেও যখন দেখি সোমবার দুপুরে; অফিসের থবড়ানি ভোগ না করে, মেডিকাল লিভের দৌলতে ঘরে বসে মন দিয়ে ভি সি ডি’তে আইস এজ দেখছি, তখন দিল সুপার খুশ হয়ে যায়। সাবাস ভাইরাল, উইকেন্ডটাকে পাস কাটিয়ে ঠিক রবিবার রাত থেকে গায়ে টেম্পরেচার। কি টাইমিং মাইরি। নাহ, শুধু সেলস টার্গেটি নয়, জীবনে ভগবানও আছেন। বিকেলে বউ সলিড ঝাল ফুচকা নিয়ে আসবে, তাতে নাকি জ্বিভের টেস্ট-বাড’রা জেগে উঠবে। এই বডি টেম্পরেচার আর দু দিন টানতে পারলেই হল, বিষ্যুদ-শুক্কুর অফিসে টুকি মেরেই ফের উইকেণ্ড, ক্লাস সিচুয়েশন!
অতএব কনক্লুশান?, রোগ-ভোগ মানে যে হামেশাই টেনশন-দুশ্চিন্তা-কষ্ট তা নয়। প্রাসঙ্গিক দুটি কেস:
Wednesday, September 22, 2010
Amnesiac হিজিবিজি

একটি দুর্ঘটনা।
স্মৃতির এলোমেলো হয়ে যাওয়া এক মানুষের কিছু অসংলগ্নতা, পুরনো খাতার পাতায় কিছু হিজিবিজি।
হিজিবিজি সর্বস্ব কাগজটার হাতে চলে আসা একান্তই আকস্মিক।
********
তখন থেকে রুমালের এক কোন মন দিয়ে চিবিয়ে চলেছি। নোনতা, বিস্বাদ। মিডিল টার্ম ফ্যাক্টরাইজেসনে তো এর আগে কখনো থমকে যেতে হয়নি। এই অঙ্কের বইটা কার? অভিরূপের?
রুমালটা থেকে ভারী বিকট গন্ধ আসছে, কতদিন ধোয়া হয়নি বোধ হয়। রুমাল কে ধুতো? মা? রুমাল মা’ই ধুতো, স্পষ্ট মনে পড়ছে এলুমিনিয়ামের বালতি, সাদা ফ্যানা,কল ঘর। মা’এর মুখ টা আবছা ভাসছে।
Sunday, August 15, 2010
১৫ আগস্ট: কথা ,স্মৃতি এবং ৬৩ বছর
৬৩ বছরের আগেকার কিছু অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছিলাম পরিচিত কয়েকজনের কাছে, সাদা-মাঠা কিছু স্মৃতি সাজিয়ে দিলেন কিছু পুরনো, ওপার বাংলা থেকে চলে আসা মানুষ:
Thursday, June 3, 2010
আমি, আমার মন

পুরুষ অধ্যায়
অফিস ফেরত ক্লান্ত শরীরটাকে ঘেঁসটে কোনো রকমে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে এসে কলিং বেল টিপলাম; "টিং"! কোনো সাড়া শব্দ নেই ভিতর থেকে!
ফের টিং! চুপ!
টিং টিং! এবারও চুপ!
ঘামে চুপসে গিয়ে এবার মেজাজ চড়তে সুরু করলো! স্বামী গোটা দিন অফিসে দলাই মলাই হয়ে থেবড়ে বাড়ি ফিরছে, আর বউ এই ভর সন্ধ্যে বেলায় পড়েপড়ে ঘুমুচ্ছে! রাবিশ ইনসেনসিটিভ সংসার!
অফিস ফেরত ক্লান্ত শরীরটাকে ঘেঁসটে কোনো রকমে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে এসে কলিং বেল টিপলাম; "টিং"! কোনো সাড়া শব্দ নেই ভিতর থেকে!
ফের টিং! চুপ!
টিং টিং! এবারও চুপ!
ঘামে চুপসে গিয়ে এবার মেজাজ চড়তে সুরু করলো! স্বামী গোটা দিন অফিসে দলাই মলাই হয়ে থেবড়ে বাড়ি ফিরছে, আর বউ এই ভর সন্ধ্যে বেলায় পড়েপড়ে ঘুমুচ্ছে! রাবিশ ইনসেনসিটিভ সংসার!
Subscribe to:
Posts (Atom)