Tuesday, July 16, 2024

গন্ধমাদন



একটা পোস্টবাক্সের নাম গন্ধমাদন৷ গন্ধমাদন নামটা রেখেছিল ন'বছরের তুলি দত্ত৷ এমন অদ্ভুত নাম কেন? পোস্টবাক্সের নাম হবে কমলকুমার বা তারাপ্রসাদ গোছের কিছু একটা৷ তা না, গন্ধমাদন৷ সে বিষয়ে তুলিকে প্রশ্ন করলে তার উত্তর একটাই; "আমার নামও তো হওয়া উচিৎ ছিল প্রিন্সেস পাউরুটি। তা না হয়ে হলো তুলি"৷ অতএব নামের উচিত-অনুচিত নিয়ে মাথা-ঘামানো নেহাতই অনুচিত।

গন্ধমাদনের বয়স কম নয়; দাঁত বেরোনো রঙচটা হাড়গিলে চেহারা। খেতে পায় না, গায়ে গত্তি লাগবে কী করে। আজকাল যে'টুকু যা পেটে পড়ে, তা ওই তুলির বদান্যতায়৷ স্কুল থেকে ফেরার পথে কখনও চিরকুট, কখনও খাতার ছেঁড়া পাতা; তা'তে কিছু একটা লিখে গন্ধমাদনের মুখে গুঁজে দেয় তুলি৷ পোস্টবাক্স তো, চিঠিপত্রই তার খাবার আর দাবার৷ গন্ধমাদনের অবশ্য প্রিয় খাবার হলো পোস্টকার্ড পোলাও আর ইনল্যান্ড লেটার ভর্তা৷ তবে আজকাল আর সে'সব জুটছে কই৷ ছুটির দিনগুলোয় তুলি চেষ্টা করে খামে করে একটা পুরো দস্তুর চিঠি পোস্ট করে গন্ধমাদনকে একটু ফাইন ডাইনিংয়ের সুযোগ করে দিতে৷

**
- যদুবাবু৷ এ'টা কোনও যুক্তি হল?

- রীতিমতো মজবুত যুক্তি৷

- হেডঅফিস এ যুক্তি শুনবে কেন?

- আপনি কঠিন ইংরেজিতে যুক্তি সাজিয়ে একটা চাবুক মেমো দিলেই কাজ হবে৷

- পাগল নাকি? বড়সাহেব হাসবেন যে৷ আমার পোস্টমাস্টারিও ঘুচে যাবে। শুনুন যদুবাবু, রথতলা মোড়ের ওই পোস্টবক্স এ'বার সরাতেই হবে৷ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অর্ডার। আপনার ওই পোস্টম্যান সেন্টিমেন্ট দিয়ে এ'সব গোল পাকাতে যাবেন না।

- পোস্টবক্স বলে তার আদত পরিচিতি চাপা দেবেন না৷ ও গন্ধমাদন!

- যাচ্চলে। কোথাকার কোন খুকি সে পোস্টবাক্সে ডিয়ার গন্ধমাদন বলে হাবিজাবি চিরকুট গুঁজে দেয় বলে আপনিও ওই লোহার বাক্সকে গন্ধমাদন বলবেন?

- আপনি আমিও তো কার্বন, ক্যালসিয়াম ইত্যাদির মিশেল বই নয়৷ অথচ দেখুন, আপনার নাম অনুপ আর আমার যদুনাথ৷ আমায় তো আপনি চামড়ার থলেতে রাখা হাড়-মাংস বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

- এই আপনি এ'বার আসুন দেখি। আমার মেলা কাজ আছে।

- গন্ধমাদনকে সরাতে যাবেন না। ফল ভালো হবে না।

- আমায় থ্রেট করছেন?

- সত্যাগ্রহ।

- মহাজ্বালা দেখছি৷

- আমি আর তুলি থাকতে গন্ধমাদনের গায়ে আঁচড়ও পড়তে দেব না৷

- আরে যে পোস্টবাক্সে চিঠি পড়েনা আজ কয়েক বছর হলো..সে'টা সরালে দোষটা কোথায়?

- আমি সামনের মাসে রিট্যায়ার করছি। চাকরির মেয়াদ ফুরোলেই বুঝি আমায় ফায়্যারিং স্কোয়্যাডের সামনে দাঁড় করাবেন?

- আপনি কী চান যদুবাবু?

- গন্ধমাদনকে হুট করে সরিয়ে দিলে এই তুলি মেয়েটা এক ধাক্কায় অনেকটা বড় হয়ে যাবে৷ যদ্দিন সে 'ডিয়ার গন্ধমাদন' বলে হিজিবিজি লিখছে, তদ্দিন থাক না মশাই রথতলার পোস্টবক্সটা৷

- দেখি, খটমটে ইংরেজিতে একটা সেভ গন্ধমাদন বলে মেমো ছাড়া যায় কিনা৷

স্ট্রিট চাইল্ড



জিম জার্ভিসের গল্প "না পড়লেই নয়", সেই মোটা দাগের কথাটা বলতে ঠিক ইচ্ছে করছে না৷ "স্ট্রিট চাইল্ড" বইটা শিশু সাহিত্যের আওতায় পড়ে, কিন্তু বড়রাও এ বই পড়লে এক অদ্ভুত মায়ায় আটকা পড়বেন, বড় কষ্টও হবে। বিশেষত বাপ-মায়ের চোখ দিয়ে এ বই পড়াটা ঠিক সহজ নয়৷

ছোট্ট জিম বাপ-মাকে হারিয়ে উনবিংশ শতাব্দীর শশব্যস্ত লণ্ডন শহরের মারপ্যাঁচে তলিয়ে যেতে থাকে৷ শৈশবে বাপ-মায়ের স্নেহ হারানো যে কী ভয়াবহ, সেই শিশুরা যে কী বিশ্রী ভাবে একা..! একরত্তি ছেলের মাথায় প্রতিনিয়ত আকাশ ভেঙে পড়ে, প্রতিদিন নিত্য নতুন যুদ্ধ৷

এ বিষয়ে সাহিত্য কম হয়নি, তবে বার্লি ডোহার্টির লেখায় একটা মারাত্মক ভালো ব্যাপার ঘটেছে। প্রবল অন্ধকারাচ্ছন্ন মুহূর্তের 'রিয়েলিস্ট' বর্ণনা করতে গিয়েও ছোট্ট জিমের 'পয়েন্ট অফ ভ্যিউ'র যে সারল্য, সে'টা ক্ষুণ্ণ হয়নি। একটা অনাথ শিশু, সে এ দোর থেকে ও দোর গলাধাক্কা খেয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সামান্য ভালোবাসার জন্য তার প্রবল আকুতি- সেই নিদারুণ ট্র্যাজেডির মধ্যে এক অপরিসীম মায়া আর বাঁচার অদম্য ইচ্ছে এসে মিশেছে। এবং সে ব্যাপারটা ঘটেছে শিশুপাঠ্য ভাষায়৷ এ'দিক থেকে ডোহার্টির লেখা আমার অনবদ্য মনে হয়েছে।

ওইটুকু একটা শিশু, সে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে, ধূর্ত মানুষজন তাকে পিষে ফেলতে চাইছে; কিন্তু কোনও কিছুই তাকে পরাস্ত করতে পারছে না৷ এ গল্পে আর যাই হোক রূপকথা নেই৷ এমন কী অপু-সুলভ রোমান্টিকতাও নেই৷ আছে গ্রাসাচ্ছদনের জন্য একটি শিশুর যুদ্ধ, যে যুদ্ধের গল্প বলতে গিয়ে ডোহার্টির লেখায় মায়া হ্রাস পায়নি এতটুকু। দু:সাহস নিয়ে বলি; সে'দিক থেকে এ লেখা ডিকেন্স আর শৈলেন ঘোষের এক অদ্ভুত মিশেল।

শিশুদের আকাশকুসুম ভাবনায় উজ্জ্বল হয়ে ওঠা জীবন আর উনবিংশ শতাব্দীর লন্ডনের একটা টুকরোকে সরেস ভাবে চিনতে চাইলে এ বই "না পড়লেই নয়"।

কদ্দিন

২০০৩, হ্যারিসন রোড যে'খানে কলেজ স্ট্রীটকে কেটেছে, সে'খান থেকে শেয়ালদার দিকে আধ-মাইল হেঁটে গেলে বাঁ হাতে পড়বে এক চিলতে একটা গলি - সীতারাম ঘোষ স্ট্রীট। সে গলির মুখেই একটা বেসরকারি নার্সিংহোম, আর সে'টার পাশে দত্তবাবুর বাড়ি। বাড়িটা ঢাউস, তিনতলা, কিন্তু সাত-পুরনো। উত্তর কলকাতার অলিগলি জুড়ে তেমন বাড়ি-ঘরদোর অজস্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। অবশ্য কলকাতার চেয়েও সে ধরণের বাড়ি বেশি আছে ইনস্টাগ্রামে, কাজেই সে'টার বর্ণনা ফেঁদে কাজ নেই।

সে বাড়ির তিনতলায় থাকেন দত্তবাবুরা। আর দোতলার তিনটে ঘর আর খান-দশেক চৌকি জুড়ে রয়েছে কলেজ পড়ুয়া ছেলেদের মেস। দু'টো ঘর হ্যারিসনরোডমুখো, তাদের গায়ে ইয়াব্বড় মানুষ-সমান জানালা, সে জানালায় পুরনো কাঠের পাল্লা, লোহার শিক। তিনটে ঘরের মধ্যে যে'টা বড়, সে'টার রাস্তারদিকের দেওয়ালের গায়ে তিনটে তেমন বিশাল জানালা আর ঘরের মধ্যে চারটে চৌকি; মেসের ভাষায় 'বেড'। সেই ঘরের একটা জানালা ঘেঁষে তন্ময় মুখার্জির 'বেড'। সে বেডের ওপর একটা তোষক, তার ওপর চাদর, একটা বালিশ, একটা পাশবালিশ আর একটা আধ-ঝুলন্ত মশারি। খাটের নীচে একটা ভিআইপি সুটকেস আর একটা স্টিলের ট্রাঙ্ক। বেডের কাছেই একটা দেওয়াল আলমারি; তার দু'টো তাক জুড়ে বিভিন্ন জিনিস; টুথব্রাশ-পেস্ট, শেভিং বাক্স, বইখাতা, কলেজ স্ট্রিট থেকে সস্তায় কেনা পুরনো গল্পের বই। হয়ত মেসবাড়ির সে বেডের দলিল ছিল না, কিন্তু সে'টাই আমার প্রথম আস্তানা; একদম নিজস্ব, বড় আপন।

কখন বড় ক্লান্ত বোধ করলে স্রেফ চোখ বুঝতে হয়; সে'টুকুতেই কেল্লা ফতে। সিনেমার মত স্পষ্ট হয়ে ওঠে সেই মেসের কোণ। গরমের দুপুরগুলোতে জানালার ঝাঁপ নামানো থাকতো। চওড়া গাঁথনির দেওয়াল, ঘরের ভিতর তেমন গরম বোধ হত না। সে বয়সে অবশ্য শীতগ্রীষ্ম এত সহজে ঘায়েলও করতে পারত না। পৌনে তিনটা নাগাদ আমি আর মেসবন্ধু কবি দুপুরের খাওয়া সেরে সবে তিনতলা থেকে নেমে এসেছি। কবি নিয়ম মেনে সিগারেট ধরিয়ে মেসের খাটে ঠ্যাঙ লম্বা করে বসেছে। সিগারেটে যৌবনের ধার বাড়ে। আমি খাটের ওপর চিৎপটাং, আমার ফিলিপ্সের রেডিওতে লো ভল্যুমে আমার-এফএমে গান বাজছে। রোদ্দুরবিহীন ঘরে টিউবলাইট বন্ধ করে দিলে আবহাওয়াটা আরও জম্পেশ হয়। বলাই বাহুল্য রাতভর আড্ডার পর আমার আর কবির ঘুম ভেঙেছে বেলা এগারোটা নাগাদ, কাজেই ভাত-ঘুমের প্রশ্নই ওঠে না। ঝিমনো সুরে গল্প চলে। মেসের বাকিরা তখন কলেজে, আমি আর কবিই এই নিয়মিত কলেজ যাওয়ার ব্যাপারটা কখনও আয়ত্ত করে উঠতে পারিনি। মেসের বাকিরা যতক্ষণে এক এক করে ফিরবে; রোদ্দুরে তেজ কমে আসবে। তখন আমরা সবাই মিলে বেরবো 'টিফিন' করতে।

ওই যে দুপুরের আলস্য। আর সে আলস্য ভেদ করা "আজ বিকেলে চলো রবীন্দ্রসদন ঘুরে আসি" মার্কা অসাড় প্ল্যান। ও'টাই আমার বাড়ি।

আমি বাড়ি যাবো।
কদ্দিন বাড়ি ফেরা হয়নি।
কদ্দিন।

তিনপান



- তিনটে মিঠে পান। বিউটিফুলি বানিয়ে দিন দেখি।

- মুড়ে দেব তো?

- না না৷ খাবো।

- আপনি তো একা।

- আমায় দেখে একা মনে হয়৷

- আদতে একা নন?

- এই ইয়ারফোন দেখেছেন তো? হ্যারি পটারের অডিওবুক শুনছি৷ হ্যাগ্রিডের আস্তানায় হ্যারি আর রন বসে খেজুর করছে, হাইক্লাস আড্ডা। মুখে মিনিমাম তিনটে পান না থাকলে সে জমায়েতে ঠিক পার্টিসিপেট করতে পারব না।

- কিছুই বুঝলাম না৷ অবশ্য বুঝে কাজও নেই৷ তবে একসঙ্গে তিনটে পান, মুখে আটবে?

- মাগলদের মুখে ধরবে না৷ কিন্তু আমার ব্যাপারটা আলাদা৷

- দাদা, আপনার পানগুলো একটু বাড়তি যত্ন নিয়ে বানাবো। খেয়ে দেখবেন, মাখন এক্কেবারে৷

- আলবাত। "একটু বাড়তি যত্ন"; ম্যাজিকের আসল রহস্য তো ও'টুকুই। হোক ভায়া, হোক।

কাউন্সেলিং



- ভিতরে আসব?
- আসুন।
- বসব?
- তিরিশ সেকেন্ডের বক্তব্য হলে বসে লাভ নেই৷ তার চেয়ে লম্বা কিছু হলে..বসুন। বসুন।
- তা'হলে বসি।
- হুম।
- আমার নাম অভ্র..।
- অভ্র হালদার। লিগাল টীমে আছেন৷ বয়স বেয়াল্লিশ৷ এই কোম্পানিতে সাড়ে সাত বছর আছেন..।
- ওহ মানে..।
- বিবাহিত। দুই ছেলে৷
- তাই তো। আপনি সমস্তই জানেন।
- আপনার ওয়াইফের চেয়ে বেশি জানি আপনাকে৷
- আই সী। আসলে কী হয়েছে..।
- একটা কথা বলি? আমি আপনাকে আপনার চেয়ে ভালোভাবে চিনি..।
- সিরিয়াসলি?
- হান্ড্রেড পার্সেন্ট। মজাটা কী জানেন? এই কথাটা আপনার বিশ্বাসযোগ্য মনে হলো না৷
- আসলে..।
- এই 'আসলে' শব্দটা আপনি বড্ড বেশি ব্যবহার করেন।
- সরি৷ আসলে হয়েছে কী..।
- আবার?
- সরি।
- সরিও বেশি বলেন।
- আপনি আমাকে আমার চেয়ে বেশি..?
- চিনি।

- কিন্তু আমি নিজের ব্যাপারে এমন অনেক কিছু জানি যা আপনার জানার কথা নয়..।

- ভল্যুম অফ ইনফর্মেশন ইজ ইরেলেভ্যান্ট৷ সেই ডেটা কে কী'ভাবে প্রসেস করছে, প্রজেক্ট করছে; সে'টাই আদত ব্যাপার। বললাম তো, আমি আপনাকে আপনার চেয়ে ভালো চিনি। আর সে জন্যই আপনার কোম্পানি আমায় রেখেছে৷ অনেক পয়সাকড়ি খরচ করে রেখেছে, এম্পলয়িদের কাউন্সেল করতে।

- আমার চিরকালই মনে হত..।

- আপনার মনে হত ব্যাপারটা হ্যোক্স।

- আপনি জানেন আমি কেন এসেছি?

- আপনার রিসেন্ট সোশ্যাল মিডিয়া উপস্থিতি দেখে এ'টুকু বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না আপনি ভীষণ অস্থির৷ আপনার স্মার্টওয়াচের রেকর্ড মিলিয়ে দেখলেই বোঝা যাচ্ছে সিচুয়েশনটা সিরিয়াস। অফিস মেডিকাল কার্ডে দেখলাম; ভাইটালে প্রচুর গরমিল। কাজের জায়গায় যা সব ভুল নামিয়েছেন..।

- আসলে হয়েছে কী..।

- আবার আসলে! বেশ৷ আমিই বলি আসলে কী হচ্ছে। আপনি ভয় পাচ্ছেন অভ্রবাবু৷ আর সেই ভয়ের কথা কাউকে বলতে আরও ভয় পাচ্ছেন।

- সরি।

- সরি কীসের৷ দিস ইজ দ্য বেস্ট প্লেস। আই অ্যাম ইওর বেস্ট হোপ। আমার কাউন্সেলিং ছাড়া গতি নেই। এ'খানে এসে খুব ভালো করেছেন।

- আমি উঠি।

- ও মা! আরে! কাউন্সেলিং আপনার খুব দরকার! আমার কাউন্সেলিং।

- আমিও তাই ভেবেছিলাম, আমার দরকার এআই-য়ের কাউন্সেলিং।

- সঠিক ভেবেছেন। ওই যে বললাম, আমি চিনি আপনাকে৷ আমি জানি আপনার কী দরকার।

- হয়ত জানেন৷ হয়ত আমার জন্য কী ভালো কোনটা মন্দ, সে'টা আপনিই ঠিকঠাক বাতলে দেবেন৷ কিন্তু আমি যে নিজের ভালোটা চেয়েই হন্যে হচ্ছি তা কিন্তু নয়।

- ইয়ে, শেষ কথাটার মানে বুঝলাম না...।

-... অথচ আপনি আমায় আমার চেয়েও ভালো চেনেন৷ সত্যিই তাই৷ আপনার সঙ্গে গল্প করলে আমার হয়ত মঙ্গলই হত৷ কিন্তু আমার বোধ হয় একটা হাবিজাবি মানুষের প্রয়োজন- যে আমার গল্প শুনবে৷ চোখ বড় বড় করে মাঝেমধ্যেই জিজ্ঞেস করবে, "তারপর"? আপনি দরকারী, সে'টা অস্বীকার করছি না৷ আপনার কাছেও ফিরে আসব নির্ঘাৎ। তবে আজ থাক। চলি এআইবাবু।