Sunday, January 24, 2021

গোবরদার টোটকা


- আপনার পিঠে যে'টা ঠেকছে, সে'টা বন্দুকের নল। কাজেই নড়াচড়া করবেন না, বেফালতু আওয়াজ করলেই কিন্তু সোজা গুড়ুম!
- আরিব্বাস। পিঠে বন্দুক? মা কালীর দিব্যি?
- মাইরি৷
- আমি প্রাইভেট ফার্মের পাতি চাকুরে মশাই, থোড়বড়িখাড়া জীবন৷ শখ বলতে রাতের খাবার হজম করতে রোজ এই ফুটপাথ ধরে আধঘণ্টা হাঁটা৷ দুম এ'রকম একটা রোমাঞ্চকর ব্যাপার ঘটবে, ভাবতেই পারিনি।
- এই, খুব ফুর্তি হচ্ছে নাকি? দেব নাকি দু'রাউন্ড ফায়ার করে?
- যাই বলুন মশাই৷ বন্দুকের ফায়্যারে রক্তারক্তি আছে, কিন্তু রোজ অফিসে বসের ফায়্যারিংয়ের মত বিষ নেই৷
- তা অবিশ্যি মন্দ বলেননি৷ আমার ওস্তাদেরও এমন তিরিক্ষি মেজাজ৷ উফ৷ আরে সবে মাসখানেক হল লাইনে নেমেছি৷ পকেটকাটার ব্যাপারটা এখনও জলবৎ হয়নি। এ'দিকে আমায় ধরিয়ে দিল পিস্তল, বলে কিনা কেরিয়ার প্রগ্রেস চাইলে রাহাজানিতে ঢোকো৷
- এই এক নতুন বাতিক হয়েছে, বুঝলেন৷ কথায় কথায় নাকের ডগায় কেরিয়ারের গাজর ঝুলিয়ে ড্যাঙশপেটা করবে। তা যাকগে, পিঠে যে বন্দুক ঠেকালেন, কী চাই ভাই?
- মানিব্যাগ, মোবাইল, রিস্টওয়াচ, আঙটি।
- আপনার দ্বারা এ'সব হবে না৷ কেমন? পকেটমারি রাহাজানি ছেড়ে বরং টিউশনি খুঁজুন।
- একদম চালাকি নয়। বেশি প্যাটরপ্যাটর করলেই গুড়ুম।
- আমার ভালোনাম সঞ্জয় কিন্তু ডাকনাম গোবর, কেন জানেন? কারণ বাপ-মা বুঝেছিলেন যে আর যাই হোক আমার মগজে বিন্দুমাত্র চালাকি নেই৷ পাড়াতে সঞ্জয় চাকলাদারের বাড়ি খুঁজতে গিয়ে হন্যে হবেন কিন্তু গোবরদার বাড়ি সক্কলে চেনে৷ কাজেই আর যাই হোক, চালাকির জন্য গুলি খেয়ে মরব না, এ কথা আমি হলফ করে বলতে পারি৷
- ইয়ে, আমার দ্বারা লুঠপাট হবেনা কেন গোবরদা?
- ঢলঢলে পাজামা পরে হাঁটতে বেরিয়েছি ভাই৷ আমার কাছে মানিব্যাগ থাকবে কেন? আর ফতুয়ার ওপর এই যে র্যাপারটা জড়ানো- এ'টা এখন খয়েরী হলেও, নব্বুইয়ের দশকে এ'টার রঙ ছিল নীল। হাতে আঙটি নেই তবে গলায় একটা সস্তা মাদুলি আছে, তারাপিঠ থেকে আনা৷ রিস্টওয়াচ রিস্টে যখন নেই, তখন তো আর বুকপকেট হাতড়ালে পাওয়া যাবে না৷ তবে মোবাইল আছে, সাত বছর পুরনো একটা থ্যাবড়া ফোন, পেপারওয়েট হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। তার বেশি কিছু হবে না এ দিয়ে৷
- ধুর৷ ট্রেনিংটাই মাটি৷ ওস্তাদের শুধু বড় বড় কথা৷ এ'দিকে যা শেখায় সবই গাঁজাখুরি যা বুঝছি। আমায় দু'হপ্তা ধরে শেখালে যে লুঠপাট করার টার্গেট ধরতে হবে পোশাকের জেল্লা দেখে নয়, চোখের ঝিলিক বুঝে৷ চোখ দেখেই নাকি সঠিক রহিসি মেজাজ চেনা যায়৷ চোখের ঝিলিক বিচার করার কত টেকনিক শেখালে ওস্তাদ৷ অথচ কাজের বেলায় দেখছি গুবলেট।
- আমার চোখে রহিসি ঝিলিক দেখতে পেয়েছ নাকি বন্দুকবাবু?
- হিসেব তো তাই বলছে৷ রহিসি, লাটসাহেবি, সুখী দৃষ্টি৷ আমি তো ভেবেছিলাম প্রথম কোপেই বড় দাঁও মারব।
- ওস্তাদের ফর্মুলা মন্দ নয় হে ভায়া৷ এন্তার পাটিসাপটা আর পাটালির পায়েস খেয়ে হাঁটতে বেরিয়েছিলাম আজ৷ ঢপ নয়, টপকোয়ালিটি পাটালি৷ নিজেকে সত্যিই বেশ কেউকেটা মনে হচ্ছে বটে, তৃপ্তি উপচে পড়ছে৷ রাজারাজড়ার মেজাজ বোধ হয় এমনই৷ এমন কী অফিসের বসের ফোনটাও সাহস করে কেটে দিলাম কিছুক্ষণ আগে৷ পিঠে-পাটালির এফেক্ট কাল সকালে কেটে যাবে৷ তখন আবার নেকুপুষুসুন্টুনিমুন্টুনি হয়ে বসের সামনে ফ্ল্যাট হব৷ কিন্তু তার আগে পর্যন্ত আমিই রাজা।
- যাহ্৷ আচ্ছা ঝামেলা হল তো৷ রাস্তাঘাটও শুনশান, জাঁদরেল কাউকে পাব বলে তো আর মনে হচ্ছে না..৷ ওস্তাদ এমন দাঁত খিঁচুনি দেবে এখন..।
- ইয়ে ভায়া, পিঠ থেকে বন্দুকের নলটা সরালে একটা ওস্তাদ-সামলানোর উপায় বাতলাতে পারি।
- মাইরি গোবরদা?
- সাকসেসফুল টেকনোলজি বন্দুক-ভায়া৷ হাতেকলমে প্রমাণিত। শোনো, আমার পকেটে এক টুকরো পাটালি আছে, ভেবেছিলাম হন্টন শেষে বাড়ি ফেরার পথে মুখে দেব৷ সে'টা বরং তুমিই খেয়ে ফেলো৷ দেখবে ওস্তাদের দাঁতখিঁচুনি সয়ে আসবে, বুকে বল পাবে৷ দেব নাকি?
- দিন। এই প্রথম পিঠে বন্দুক ঠেকালাম, সোনাদানা টাকাকড়ি ঘড়িমোবাইল জুটল না৷ অন্তত পাটালি দিয়ে বউনিটা হয়ে যাক৷ জয় মা।
***
(ছবিটা ২০১৯ ডিসেম্বরের)

বড়দিন আর রাত্রিবেলার হাওয়াখাওয়া



- এই যে৷ ট্যাক্সিভায়া। বেহালা যাবে?
- না৷
- শেয়ালদা?
- কাকা, আপনি বেহালা যাবেন না শেয়ালদা?
- বেহালা নিয়ে গেলেও যাব৷ শেয়ালদা নিয়ে গেলেও যাব৷ নেহাত ঝুলোঝুলি করলে গড়িয়া যেতেও আপত্তি নেই।
- ইয়ার্কি করছেন না তো?
- ক্রিসমাসের দিন ভায়া৷ এই সময় পার্কস্ট্রিটের পুণ্যভূমিতে দাঁড়িয়ে ফাজলামো করব? না না ভায়া৷ নেভার। তা'হলে কী ঠিক হল? কোথায় যাব?
- টালিগঞ্জের প্যাসেঞ্জার পেলে ভালো হত কাকা৷ ও'দিকেই বাড়ি কিনা।।
- আহা বেশ তো৷ টালিগঞ্জই সই৷ চলো।
- উঠে আসুন।
- থ্যাঙ্ক ইউ ভায়া৷ মিটার চালু করো দেখি৷
- কেসটা কী বলুন তো কাকা? এত রাত্তিরে হাওয়া খেতে বেরিয়েছেন নাকি? তা বয়সে ঠাণ্ডাফান্ডা লেগে গেলে মুশকিল তো।
- এই সময়টা আমি একটু ঘোরাঘুরি করি বটে৷ তবে ঠাণ্ডা লাগার ভয় আমি পাইনা ভাই৷ এর চেয়ে অনেক কড়া শীত আমি দিব্যি ম্যানেজ দিয়ে থাকি৷ আর আমার এই ঘোরাঘুরি আমি শুরু করি পার্ক স্ট্রিট দিয়ে৷
- হ্যাঁ, এ সময়টা পার্ক স্ট্রীটের ইয়েই আলাদা।
- হ্যাঁ৷ সত্যিই হাইক্লাস ইয়ে।
- তা টালিগঞ্জের হয়ে কোথায় যাবেন কাকা?
- টালিগঞ্জের পর ভাবছি চট করে একটু গিয়োথোনবিনে ঢুঁ মেরে আসব।
- গিয়ো..কী?
- গিয়োথোনবিন।
- বারাসাতের দিকে কোনও হাউসিং কম্পলেক্স কি?
- না হে৷ গিয়োথোনবিন একটা হদ্দ গ্রাম। বার্মায়৷
- নেশাটেশা করা হয় নাকি? কাকা?
- নেশার টানেই তো ফি-বছর পার্কস্ট্রীট থেকেই যাত্রা শুরু করি হে। প্রথমেই কুসুমের রোলের দোকানের সামনে গিয়ে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে রোলের সুবাসে মনপ্রাণ ভরে ফেলি৷ তারপর শুরু অভিযান।
- অভিযান?
- এই ডিবেটায় কী আছে বলো দেখি ভায়া?
- কেকের ডিবে তো৷
- ফ্লুরিজের প্লাম৷ তুমি তো কেক খুব ভালোবাসো, তাই না ট্যাক্সিভায়া? ফ্লুরিজের আলো সুবাস মায়া তোমায় বড্ড টানে, তাই না?
- কাকা! আপনি কি তান্ত্রিকটান্ত্রিক নাকি?
- হলেই বা! এ কেকের স্বাদ তো আর কমছে না৷ চলো, কেকটা ভাগ করে সাবাড় করে ফেলা যাক৷ রাতের ফাঁকা রাস্তায় টালিগঞ্জ পৌঁছতে সময় বেশি লাগবে না৷ কাজেই, ক্যুইক৷ আমার আবার গিয়োথোনবিন ছুটতে হবে।
- আপনি কে বলুন দেখি কাকা?
- কেক মুখে না দিয়ে খামোখা প্রশ্নে সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয়? হো হো হো।

***
সনাতন দত্ত যখন বাড়ি ফিরলেন তখন রাত পৌনে একটা৷ বহুচেষ্টা করেও কেক-তৃপ্ত ট্যাক্সিভায়াকে ভাড়ার টাকাটা গছানো যায়নি৷
প্রতি বড়দিনে এক ধরনের ছেলেমানুষি তাঁকে পেয়ে বসে - পার্ক্সস্ট্রিটে কাউকে হুট করে পাকড়াও করে কেক না খাওয়ালে তার মন ভরে না৷ তাছাড়া কেক-পিপাসু চোখ আর টালিগঞ্জের দিকে যেতে চাওয়া ট্যাক্সি ড্রাইভারদের একনজরে চিনতে পারার একটা দুরন্ত ক্ষমতা রয়েছে তাঁর৷ ধেড়েখোকাদেরও গোপন-স্যান্টার প্রয়োজন পড়ে, এ সত্যটি বিলক্ষণ জানেন সনাতনবাবু৷

অন্য কেমিস্ট্রি

- কী হে ভায়া৷ রোব্বারের সকালে এমন ম্যাদা মরে বসে আছ যে৷
- ঝাড়া পঁচিশ মিনিট খবরেরকাগজ পড়লাম গো দাদা৷
- তা' হালচাল কী বুঝছ?
- ডেমোনস্ট্রেট করে বোঝাব? ডেমোন্সট্রেশনের প্রপ সমস্ত রেডি রেখেছি।
- হোক৷ হোক।
- এই যে৷ এ'টা কী?
- আদা।
- আর এইটা?
- কাঁচকলা। অবভিয়াসলি৷
- ভেরিগুড। এ'বারে এ'দুটো যদি মিশিয়ে যদি দিই?
- আরে, আদা অ্যান্ড কাঁচকলা যে৷ মেশাবে কেন? আর এ দু'টো জিনিস মিশবেই বা কেন? তা'হলে তো প্রবাদটাই মাটি৷
- করেক্ট৷ মোক্ষম বলেছেন৷ এ'বার এই আদার টুকরোটা ফের মন দিয়ে দেখুন। উইথ ফুল কনসেনট্রেশন।
- দেখছি৷ টোটাল ফোকাস৷
- এই আদার টুকরোটা হচ্ছে ইডিওলজি। কেমন?
- বেশ। তবে আদা হল ইডিওলজি। তা'হলে ওই কাঁচকলার প্যারালালটা?
- কাঁচকলা ইস অবভিয়াসলি ইকুয়াল টু পলিটিক্স৷
- অবভিয়াসলি৷ অবভিয়াসলি৷

অফিস ক্যান্টিনে


- এই যে, বিভূতি। অনেকদিন পর তোমায় এই অফিস ক্যান্টিনে দেখলাম। খবর কী ভায়া?
- সোমবারের অফিস। রিভিউ৷ বসের চাঁটি৷ খবর জিজ্ঞেস করে খোঁটা দেওয়ার কোনও মানে হয় মধুবাবু? এই কোনওরকমে মুখে কিছু দিয়ে ফের ছুটতে হবে৷
- ইয়ং-জেনের এই এক সমস্যা৷ সবসময় শুধু হন্যে হয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছ৷ আর রোক্কে রোক্কে৷ মাঝেমধ্যে কম্পিউটার বা ফাইল থেকে চোখ সরিয়ে একটু নিঃশ্বাস নাও। লেবুজল খাও। আকাশে মেঘ জমল কিনা খবর নাও।
- আকাশ ফ্যাকাসে মধুবাবু। মেঘে নেই, পলিউশন আছে। কাজের চাপে নাভিশ্বাস উঠছে আর লেবুজলের বদলে বড়বাবুর দাবড়ানির ঘোল খেতে হচ্ছে।
- চাপে রয়েছ যে হে।
- ঘেঁটে ঘ মধুবাবু৷ ঘেঁটে ঘ৷
- তোমার এক পেগ দরকার৷
- পেগ?
- এক পেগ৷ সোমরস। সোমবারের দুপুরে এ জিনিস সামান্য পেটে না পড়লে আমার হপ্তাটাই মাটি৷
- আমার আবার ও'সব চলে না৷ কিন্তু মধুবাবু, অফিসটাইমে অ্যালকোহল? কেউ জানতে পারলে যে তুলকালাম হবে।
- আহা৷ এ হল সোমরস আলট্রা৷ এ জিনিস অত মামুলি নয় হে৷ মামুলি নয়। তুমিও চেখে দেখ৷ বসের চাঁটি আর ফাইলের চাপ সমস্ত হজম হয়ে যাবে৷
- ব্যাপারটা কী?
- প্ররি রোববার দুপুরে পেল্লায় এক কড়াই মাংসের ঝোল রাঁধি, বুঝলে। সোমবারে মাংসের সেই বাসি ঝোল পড়ে থাকে, অথচ তা'তে মাংস আর থাকে না৷ সোমবারের ব্যস্ততায় সে ঝোল নষ্ট না করে অফিস বেরোনোর আগে তা'তে খানকয়েক ডিম দিয়ে সামান্য নেড়েচেড়ে নিই - তৈরি হয় মাসলোর পিরামিডের ডগায় বসানো সোমরস। আমি বলি সোমরস আলট্রা৷ ডিমটা স্রেফ চাখনা, আসল নেশা হল এই বাসি ঝোলের; কোথায় লাগে তোমাদের সিঙ্গল মল্ট৷
- প্রসাদ পাব নাকি মধুবাবু? এক পেগ?
- আরে সে জন্যেই তোমায় ডাকলাম হে৷ অমন শুকনো মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছ, এক পেগ সোমরস আল্ট্রা তোমার প্রাপ্য৷ বসো, বসো৷ আমি টিফিনবাক্সটা খুলি৷

এস্পারওস্পার ফেসবুক পোস্ট



- এই যে! অনন্ত৷ তোকেই খুঁজছিলাম।
- ব্যাপার কী নির্মলদা। ক্যারমের পার্টনার খুঁজছ নাকি? ক্লাবের টুর্নামেন্টের জন্য?
- আরে না না৷ ও'সব নন-ইন্টেলেকচুয়াল প্লাস নন-ফিজিকাল খেলায় আমি নেই।
- তোমার দরকার বক্সিং আর দাবা মিশিয়ে একটা চাবুক ফর্ম্যাট।
- বাজে কথা না বলে কাজের কথাটা মন দিয়ে শোন।
- বেশ৷ বলো।
- আচ্ছা, তুই ডিএসএলআর নিয়ে ছবি তুলে বেড়াস তো?
- তা, তুলে বেড়াই বটে।
- গুড। চট করে একবার বাড়িতে গিয়ে সে'যন্ত্রটা গলায় ঝুলিয়ে নিয়ে আয় দেখি৷
- তোমায় কিছু ছবি তুলে দিতে হবে নাকি?
- না৷ তুই ছবি তোলার পোজ দিয়ে দাঁড়াবি। আর আমি সেই পোজের ছবি তুলব৷ আমার এই মোবাইল ক্যামেরায়।
- ও মা৷ সে কী৷ কেন?
- একটা সার্কাস্টিক ফেসবুক পোস্ট লিখছি৷ আমার সেই একপেশে এস্পারওস্পার স্টাইলে৷ ডিএসএলআর বাগানো সুডো-ইন্টেলেকচুয়াল ফটোগ্রাফারদের কচুকাটা করব। সঙ্গে একটা লাগসই ফটো দরকার৷
- ডিএসএলআর আবার কী দোষ করল।
- ওই যে৷ সবাই ও জিনিস গলায় মাদুলির মত ঝুলিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে৷ মহালয়ার কুমোরটুলিই হোক বা হাফ-শীতের কলকাতা। ওই আদেখলাপনা নিয়ে একটা হার্ড হিটিং পোস্ট না লিখলেই নয়৷
- লোকে শখে ছবি তুলছে, মাস্তান লেলিয়ে ভোট তো আদায় করছে না৷ তা'তে আপত্তিটা কোথায়?
- তাই বলে সবাই ছবি তুলবে অনন্ত? ব্যাপারটা কি অতই মামুলি? দুনিয়াটা এ'বার সস্তা ফটোগ্রাফারে ভেসে যাবে৷
- সবাই যে সারকাজমও ঝাড়ছে নির্মলদা৷ সে ব্যাপারটাও কি যেমন তেমন? দুনিয়াটা সস্তা বঙ্কিমে ভেসে গেলে কি ভালো হবে?