- আপনার ফুলের ভয় আছে?
- আমায় বলছেন?
- অফ কোর্স।
- আপনি আমায় চেনেন?
- অচেনা মানুষের থেকে প্রশ্ন এক্সেপ্ট করেন না?
- প্রশ্নটা কী যেন?
- আছে? ফুলের ভয়?
- ইউ মীন, বোকাদের ভয়?
- না। ফ্লাওয়ার। ভয় করে না?
- সে কী! কেন করবে?
- করে না?
- কোন ফুল?
- র্যান্ডম। যে কোনও ফুলের ভয় হতে পারে।
- করে না। কী অদ্ভুত খারাপ প্রশ্ন!
- কী বিশ্রী মিথ্যে কথা।
- এক্সকিউজ মি?
- বিশ্রী। মিথ্যে কথা।
- আমি ফুলে ভয় পাই?
- দীপকবাবু, পান। ডেফিনিটিলি পান।
- যত্তসব আপদের পাল্লায় পড়তে হয়।
- গন্ধরাজ গাছটা দীপকবাবু। সে'খানে আপনার ফেরত যাওয়ার কথা ছিল।
- আপনি কে?
- মিথ্যে কথা মোটে কাজের কথা নয় দীপকবাবু।
- আপনি কে?
- সে বড় একা দীপকবাবু। আপনার ফেরত যাওয়ার কথা ছিল। বিকেলবেলা। সেপ্টেম্বরই ছিল বোধ হয়। গন্ধরাজ গাছটার ও'খানে। সে অপেক্ষা করছিল।
- আপনি..আপনি ওকে চিনলেন কী করে? আপনি কে? দেখুন...!
- সে ভালো নেই। আর আপনি একটা ইউসলেস। আর ভীতু। সেই, ফুলের ভয়। গন্ধরাজের ভয়।
- আপনি কে?
- বাগানটার জায়গায় এখন ফ্ল্যাটবাড়ি দীপকবাবু। গন্ধরাজ গাছ সাফ।
- আপনি...আপনার গায়ের পারফিউমটা...আপনি?
- আমি ওকে চিনি, আপনার ভয়কে চিনি। আপনার কলার টেনে ধরতে এসেছি।
- কে আপনি?
- গন্ধরাজের ভূত হতে নেই দীপকবাবু?
Monday, September 18, 2017
ফুলের ভয়
Sunday, September 17, 2017
মহারাজ ও নিমুভূত
**
Wednesday, September 13, 2017
কিছুই না
১
কিডনি মিমগুলো কাশফুলের মত মাথা দোলাচ্ছে আইফোনএক্স না কিনতে পারার হুহু বাতাসে। জানালার গ্রিলে গাল লেপ্টে এমন ভাবে উদাস হতে ইচ্ছে করছে যাতে মনে হয় কত জন্ম জুড়ে আমি বাঙালি হয়ে আছি।
মনখারাপ হলে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বানিয়ে ফেলা উচিৎ চটপট। টাইটেল স্লাইড; আ ব্রীফ ওভারভিউ অফ ধুরকাঁচকলাইজড মাইন্ড। তারপর ফ্লো অফ প্রেজেন্টেশন; হোয়াট ইজ ধুরকাঁচকলাইজড মাইন্ড, সিম্পটমস আর রিমেডিস।
সেই পিপিটি অটো-প্লেতে চালিয়ে, কম্পিউটারের সামনে বসে হারমোনিয়াম বাজিয়ে শিব্রামগীতি ধরা উচিৎ। হারমোনিয়াম বাজাতে জানতেই হবে এমন কেউ দিব্যি দেয়নি, তবে রিডে হাত রাখলে কনফিডেন্স আসে। মনে হয় গিলোটিনের গায়ে গেঞ্জিজাঙিয়া শুকোতে দেওয়ার দম রাখি কলজেতে।
২
- কাকা, দু'টো চা।
- একা আছো তো!
- দু'টো চা। আমার জন্য। এক কাপে রিফিল নয়। ট্যু সেপারেট গেলাসেস। একটা বিস্কুট ডুবিয়ে খাওয়ার, অন্যটা ডাইরেক্ট।
- ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে তোমার মাথাটা গেছে।
৩
এ এক অদ্ভুত রোগ। সবসময় যেন কেউ পিছন থেকে 'এই যে বাবা রবার্ট ব্রুস'' বলে ডাকছে। ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেই দেখা যাবে নীল চেক হাফশার্ট আর খয়েরি প্যান্টের মাঝবয়সী ভদ্রলোক, উষ্কখুষ্ক চুল, গালে দিন চারেকের না কামানো দাড়ি।
আকাশ থেকে পড়তে হবে আমায় ; "আরে! বুম্বাদা না"?
"যাক চিনতে পেরেছিস" বলে বুম্বাদা পিঠে জমকালো থাবড়া বসাবে। পাপাইয়ের খবর শুনে মুখ কালো হয়ে যাবে। স্ট্র্যান্ড ঘাটের আড্ডার কথা শুনে নিঃস্পৃহ 'চুক্' শব্দ করবে। জানাবে সিগারেট এ'বারে সত্যিই ছেড়েছে। পুরনো ঠাট্টার কথা মনে করে 'হো হো'র বাড়াবাড়ি করবে।
অথচ। ঘাড় ঘোরানো গেল না এতদিনেও। যদি বুম্বাদার বদলে পিজির ডাক্তার বেরিয়ে এসে বলে 'অনেক তো চেষ্ট হল'?
Friday, September 8, 2017
বল্টের প্রশ্ন
Thursday, September 7, 2017
পুজো পুজো ভাব।
পুজো পুজো ভাব।
ঝকঝকে নীল আকাশের মত খাঁখাঁ ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স। সাদা তুলোর বলের মত নার্ভাসনেস; পুজোয় যথেষ্ট ফুর্তি হবে তো?
ফুর্তি কী? চারিদিকে বাঁশ, হোর্ডিং। পা মাড়ানো সরি আর গুঁতোগুঁতির এক্সকিউজ মী। ঘাম আর কাবাবের সুবাস মেশানো মাথা ঝিমঝিম নিয়ে রেস্তোরাঁর সামনে অর্ধেক রাত অপেক্ষা।
আর একটানা চিন্তা।
মজা কি একটু কম হচ্ছে? বীরেন্দ্র ভদ্রের চেয়ে টনি গ্রেগের কণ্ঠে অ্যাকশন বেশি ছিল বলে মনে হচ্ছে? যতটা ভাবা গেছিল ততটা আলোর বেণু বাজছে না? খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনে কাশফুল দেখলেই পেন্ডিং ফাইলগুলোর কথা মনে পড়ছে?
"পুজো আসছে" ফ্লেভারটা দিব্যি। মনে হয় ল্যাজে সুড়সুড়ি লাগছে, বুকে ফুরফুরে হাওয়া। সপ্তমীতে ল্যান্ড করলেই মালুম হয় ল্যাজট্যাজ সব ফাঁকি; বন্যেরা বনে সুন্দর; লাফালাফি প্ল্যানিংয়ে।
ইয়ে পুজোর গ্লুকনডি ঝুঠা হ্যায় জনাব। ঝুঠা হ্যায়।