Saturday, June 18, 2016

ওয়ান ফর দ্য রোড

- ওয়েটার, হুইস্কি লাও।
- সোডা ওয়াটার সাব?
- কাঁহেকা সোডা? কাঁহেকা ওয়াটার? হামকো পাতি বাঙ্গালি সমঝা হ্যায়? বারাফ লাও..বারাফ!
- সাথ মে কুছ স্ন্যাকস মঙ্গাউ সাব?
- স্ন্যাক্স? ইউ মিন চাখনা?
- জী সাব। কেয়া লাউ?
- লাউ চিংড়ি,  মিলেগা ভাইটি?
- জী সাব?
- লাউ চিংড়ি। মিলেগা?
- নহি সাহাব। চিকেন ফ্রাই লাউ?
- যা খুশি দো প্লেট লেকে আনে কা। স্ট্রিক্টলি নন-ভেজ।
- জী সাব।
- আউর সুনো!
- জী সাব?
- আপকা মিউজিক সিস্টেম মে ইয়ে কেয়া গানা বজতা?
- গজল সাব। পঙ্কজ উদাস।
- শ্যামল মিত্তির মাংতা।
- জী সাব?
- শ্যামল মিত্র চলানেকা, আমি চাঁদেরই সাম্পান যদি পাই...যদি পাই...। ঠিক হ্যায়?
- জগজিৎ সিং চলেগা সাব?
- জিন্দেগী ধূপ, তুম ঘনা সায়া?
- জী সাব।

**

- সাব!
- ওয়েটার ভায়া। আউর এক পেগ মাঙতা!
- বার বন্ধ হো গয়া সাব!
- ওহ।
- ইয়ে রহা আপকা বিল সাহাব।
- কেতনা?
- সেভেন্টিন হান্ড্রেড অ্যান্ড থার্টি সাহাব।
- এধর দেখো। এধর।
- কিধর সাব?
- মেরা পাঞ্জাবি কে ডান পকেট। মানিব্যাগ ইধর হ্যায়। নিকালো।
- ইয়ে হ্যায় সাব। মানিব্যাগ।
- উসমে সে চারটে পাঁচশোওলা নোট নিকালনে কা।
- জী সাব।
- আউর সুনো!
- মানিব্যাগ পকেট মে ওয়াপিস রাখনে কা।
- জী সাব। রখ দিয়া।
- আউর সুনো।
- চেঞ্জ ওয়াপিস নহি লানেকা।
- থ্যাংক ইউ সাব।
- ওয়েটার সাব।
- জী সাব?
- আপকা নাম?
- বুলা সিং সাব।
- থ্যাংক ইউ বুলা সিং।
- জী সাব।
- বেস্ট উইকেন্ড বুলা সিং। দি বেস্ট।
- জী সাব।
- থ্যাংক ইউ। ইভিনিং খতম। লেকিন ইয়ে ভালো ফিলিং, উইল নট গো। থ্যাংক ইউ।
- এবারে প্লেট গেলাস সাফ করে নিই বাবা?
- কর লো।
- এখনও হিন্দী?
- চড়ে গেছে রে। তুই যেভাবে বুলা সিংয়ের রোলে সার্ভ করলি। যে ভাবে সোফাটাকে ড্রয়িঙয়ে কনভার্ট করলি। মাস্টারক্লাস। হুইস্কিতে একটা ব্যাপার আছে বুলা সিং। বোতলটা দেখেই মাথায় একটু ঝিম লেগে যায়।
- অনেক হলো। এবার রুহুআফজার বোতলটা ছাড়ো।
- চিকেনটা দিব্যি ভেজেছিলিস।
- থ্যাঙ্ক ইউ সাব।
- হেহ হেহ।
- সোনে চলে সাব?
- ওয়ান ফর দ্য রোড বুলা সিং?
- বার বন্ধ হো গয়া সাব।
- ইউ আর দ্য বেস্ট বুলা সিং।
- ইউ আর দ্য বেস্ট মাতাল বাবা। এভার।
- আই লাভ ইউ বুলা সিং।
- আই লাভ ইউ টু বাবা।
- আই লাভড হার টু বাবু।
- জানি।
- আই অ্যাম সরি, তুই একা আমার পাগলামিতে বড় হলি। নট ফান। আই নো।
- সাব। বার বন্ধ হো গয়া, লেকিন পঁচাশ কা টিপ অউর মিলেগা তো এক পেগ ম্যানেজ হো সকতা হ্যায়।
- তুম লাজওয়াব হো বুলা সিং।
- আপ ভি সাব। আপ ভি।

Thursday, June 16, 2016

ডস ও দাস

ঘনশ্যাম দাসকে সচরাচর এতটা বিব্রত দেখা যায় না। ঠোঁটের ঝুলন্ত সিগারেটটা ধরাতে ভুলে গেছেন বেমালুম, অকারণে ফিল্টার চিবুতে চিবুতে একটানা পায়চারি করে চলেছেন। দু'এক পশলা বৃষ্টি সবে হয়ে গেছে, বাতাসে মিহি ছ্যাঁতছ্যাঁত; অথচ ঘনশ্যামবাবুর কপাল জুড়ে বিন্দু বিন্দু ঘাম। সরু গলিটার সান্ধ্য অন্ধকার বা মশাদের মঁমঁকে পাত্তা দেওয়ার প্রয়োজনটুকুও বোধ করছিলেন না তিনি। ক্রমাগত ঘড়ির দিকে তাকাতে হচ্ছিল; সময় যেন কাটতেই চায়না। বুকের ভিতরে এমন বীভৎস ধুকপুকুনি বোধ হয় গেল বার ইকুয়েডোরেও অনুভূত হয়নি।
"ঘনা নাকি?"; এ কণ্ঠস্বর ভুল করার উপায় নেই। চকিয়ে ঘাড় ঘোরাতেই ঘনশ্যামবাবু তাঁকে দেখতে পেলেন। সেই সুপরিচিত ঢলা পাঞ্জাবি আর পাজামা। গায়ে জড়ানো শাল। হুড়মুড় করে তার দিকে এগিয়ে গিয়ে প্রথমে ঢিপ করে প্রণামটা সেরে নিলেন ঘনশ্যাম।
- "কেমন আছেন স্যার?"।
- "আমি? দিব্যি। ভেবেছিলাম হয়তো আমাকে কারও মনে নেই। কিন্তু এখন দেখছি আর কেউ না হোক, জুনিয়র দাস আমায় ভোলেনি"। 
- "ঘনশ্যাম বানান ভুলতে পারি স্যার, কিন্তু আপনাকে ভুলি কী করে? আপনি যে ছিলেন এই গ্রামেতেই। আপনার জন্য সামান্য কিছু এনেছি স্যার। এ চ্যালাকে প্লিজ রিফিউজ করবেন না"।

সিনিয়র দাসের পাঞ্জাবির ঝোলা পকেটে ঘনশ্যামবাবু নিজের সমীহ-কাঁপুনি মাখানো হাতে সিগারেটের সদ্য কেনা প্যাকেটটা গুঁজে দিলেন। অমনি সুখেনবাবুর চওড়া হাসিতে গলির অন্ধকার লোপাট হয়ে গেলো।

আট জন

ব্রজমোহন
বিষ মাখানো ছুঁচের ডগাটা অনেক চেষ্টা করেও নিজের হাতে ফুটিয়ে দিতে পারলেন না ব্রজমোহন।
এত জ্বালা, এত যন্ত্রণা; তবু আত্মহত্যাটা এখনও করা হয়ে উঠলো না। এবারেও হল না। তবে আত্মহত্যা না হোক, সুইসাইডের একটা শেষ চেষ্টায়; ছুঁচটাকে পাশে সরিয়ে রাখলেন ব্রজমোহন।
সান্ত্বনা পুরষ্কারের মত, 
মুখ বেয়ে ওঠা শেষ রক্তধারার মত; 
উত্তেজিত ব্রজমোহনের ঠোঁটের পাশ দিয়ে পানের পিক গড়িয়ে পড়লো।


নির্মল 
মাথার ওপরের গাম্বাট মেঘের ড্যালাটার নাম কোনি দিলেন নির্মল চপওলা।
মুঠো শক্ত করে বলা "ফাইট কোনি ফাইট" যদি মেঘমল্লারের কাজ করে; এ'টুকুই আশা।


পহলাজ
একদিন হয়েছে কী, পহলাজবাবু ডাউন কাটোয়া লোকালের জানালার সিট নিজের রুমাল পেতে দখল নিয়েছেন। কিন্তু মুনমুনদেবী রুমাল রিজার্ভেশন পাত্তা না দিয়ে দিব্যি বসে পড়েছেন সে সিটে।
তাই দেখে পহলাজবাবু তেলেবেগুনে চিড়বিড় হয়ে চিৎকার করে উঠলেন;
"সেন সর, সেন সর, সেন সর, সেন সর"!!!!!


অরুন মার্ফি
চেনা কবিতায় নতুন শব্দরা আবছায়া খুঁজে নিলো।
নতুন কবিতাটা না পড়েই বসে পড়তে হল অরুন মিত্রকে।
কারণ ততক্ষণে;
ফ্লাইট থেকে নেমে কনভেয়ার বেল্টের দিকে হাঁটতে শুরু করেছেন মার্ফি।

বাল্মীকি 
প্রফেসর বাল্মীকি সুকুমার সমগ্রটা বগলদাবা করে টাইম মেশিনে ওয়াপিস যাত্রা শুরু করলেন।
পেজমার্কটা তখন লক্ষণের শক্তিশেলের পাতায় গুঁজে রাখা।


বনলতা
সে'বার।
ফর আ চেঞ্জ।
হাজার বছরের পথ হাঁটলেন সেন বনলতা।

আর হাঁটা শেষ হলে ফস্ করে লিখলেন;
"...থাকে শুধু অন্ধকার, 
মুখোমুখি বসিবার 
রায় সুকুমার"।


অনুপ
ভূতে বিশ্বাস প্র‍্যাক্টিস করছিলেন অনুপবাবু।
টেবিলে ছড়ানো ছিল কিছু ভূতুড়ে গল্পের বই, কিছু তান্ত্রিকপন্থার পুরোনো পুঁথিপত্র আর খান চারেক খুলি।

ঘণ্টা তিনেকের একনিষ্ঠ চেষ্টা করার পরেও যখন বুকে ভূত-বিশ্বাস দানা বাঁধতে শুরু করেনি, তখন একরাশ বিরক্তি নিয়ে টেবিল ছেড়ে উঠে এসে আয়নার সামনে দাঁড়ালেন অনুপবাবু।
আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে না পেয়ে সামান্য ভূত-বিশ্বাস গোছের গন্ধ নাকে এসেছিল বটে; তবে তা টিকলো না।
উপায়ন্তর না দেখে এস-ও-এস হাঁকলেন অনুপবাবু; মিতাকে লেখা না-পোস্ট করা প্রেমের চিঠির গোছাটা তাক থেকে নামালেন তিনি। খান দুই গদগদ লাইন পড়েছেন কি পড়েননি; অমনি ভূতের ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপতে শুরু করলেন আদিসপ্তগ্রামের অনুপ গোস্বামী।

অমলকান্তি
একটা নরম অমলেট চেয়েছিলেন অমলকান্তি। রোদ রঙা, যার গায়ে অল্প লাল পেঁয়াজ কুচির ছোপ ছোপ।
**
সসপ্যানের বুকে গলগল করে ছড়িয়ে পড়া কুসুমে চিড়বিড় ভালোবাসেন অমলকান্তি।
**
ভেবে দেখলেন অমলকান্তি। শালপাতার দোনার স্পর্শে অমলেটে সুর যোগ হয়।
**
মাখন ভাতের তাপে অমলেটে লজ্জা আসে। আসে কবিতা। মনকলমের খসখসে সে অমলেটের বুকে গল্প জমা হয়।

খুচরো দুই


- ওহ যৌনমিলন, কী গরমটাই না পড়েছে!

- যা বলেছেন। তার ওপর এই যৌনমিলনরত হিউমিডিটি।
- আর তার ওপর অফিসের এই প্রেশার আর বসের ট্যান্ট্রামস। উফ, যৌনমিলনরত জারজ সন্তান!
- বসের ট্যান্ট্রাম? তুমি পাত্তা দাও নাকি? আমি তো একটা উড়ন্ত যৌনমিলনও দিই না।
- কী যে করি! আমার নেচারটাই ও'রকম। পাত্তা না দিয়ে থাকতে পারিনা। আমার জীবনটাকে সম্পূর্ন যৌনসম্ভোগের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।



- ভদকা চলে?
- নো।
- আবসোলুট রয়েছে কিন্তু।
- নো।
- হোয়াই?
- আলুর উলটো ব্যবহার মদে, সোজা ব্যবহার দমে।

মুমিনের স্বীকারোক্তি

- বাবা। 
- কিছু বলবি বাবলু?
- ঘুমোওনি যে!
- এ'টা বলতে রাত্তির দেড়টায় উঠে এলি?
- না।
- তাহলে?
- তোমার মুমিনকে মনে আছে?
- মুমিন?
- মুমিন। সেই যে। হৃষীকেশের সেই ছোট্ট ধাবাটার রাঁধুনি।
- হৃষীকেশ। সে তো অনেকদিন আগেকার কথা। তাছাড়া সেই ট্রিপেই তো এই বীভৎস রোগ জুটিয়েছিলাম। উফ্‌! 
- সতেরো বছর। সে'বার সবে উচ্চমাধ্যমিক দিয়েছি। মুমিন আমাদের একটা চমৎকার রাজমার সবজী রেঁধে খাইয়েছিল, মনে আছে?
- অস্পষ্ট, তবে ঠাহর হচ্ছে। বয়স্ক, কাঁধ পর্যন্ত নেমে আসা ধবধবে সাদা চুল। তাই তো?
- ঠিক। 
- তা। হঠাৎ তাঁর কথা এত রাত্রে? বৌমার সাথে হৃষীকেশ-লছমনঝুলার দিকে যাওয়ার প্ল্যান করছিস? 
- না তা নয়। 
- তবে? 
- মুমিন এসেছিলো। 
- এসেছিলো মানে? তোর সাথে অফিসে দেখা হয়েছে? রাস্তায়? চিনতে পেরেছিস ঠিক?
- ভুল করছ। তা বলতে চাইনি। মুমিন, এই মাত্র, এইখানে ছিল। 
- শাট আপ। ঘুমোতে যা। 
- সত্যি। আমি ঘুমোইনি কিন্তু। বই পড়ছিলাম। মিলি বরং ঘুমিয়ে গেছিলো আগেই। আচমকা বেড ল্যাম্পের আবছা আলোয় অন্য দেওয়ালে দেখলাম মুমিন। দাঁড়িয়ে। ফ্যালফ্যালে চোখ। সেই আগের মতই। অবিকল। 
- হ্যালুসিনেট করেছিস নাকি?
- মনে হল না। স্পষ্ট কথা বলল মুমিন। 
- তোর সাথে সেই সতেরো বছরের আগের দেখা হওয়া ধাবার রাঁধুনি এসে কথা বলে গেছে। তাই তো?
- ঠিক তাই। 
- বাবলু। তুই নিজে ফিজিক্স নিয়ে পড়েছিস। ইউনিভার্সিটিতে ছাত্র পড়াচ্ছিস। হ্যালুসিনেশনের অবভিয়াস অ্যাঙ্গেল বাদ দিয়ে এ'সব কী আগডুম বাগডুম ভাবছিস? শরীর ঠিক আছে?
- বাবা। 
- কী হয়েছে বাবলু?
- মুমিন...। 
- মুমিন কী?
- মুমিন খানিকক্ষণ আগেই মারা গেছে। 
- হোয়াট?
- বয়স হয়েছিল প্রচুর। নর্মাল ডেথ। তবে মরেই ছুটে এসেছে আমার সাথে দেখা করতে। 
- এ'সব কী বাজে কথা শুরু করেছিস বাবু! দাঁড়া। বৌমাকে ডাকি। 
- না বাবা। এ'সবের মধ্যে ওকে না ডাকাই ভালো। 
- এ'সব মানে? কী'সব?
- মুমিন এসেছিলো ব্যাপারটা জানাতে বাবা। 
- কী জানাতে?
- যে'টা এদ্দিন গোপন রেখেছিলে তুমি। যে'টা তোমার ভয়ে মুমিন নিজের জীবদ্দশায় কাউকে জানাতে পারেনি। কারণ জানালেই তুমি তার ক্ষতি করতে। সে সমস্ত কিছু মুমিন আমায় জানিয়ে গেছে। মারা পড়তেই ছুটে এসে সে আগে আমায় জানিয়েছে। 
- তুই কি উন্মাদ হয়ে গেলি? শুড আই কল ডক্টর পাত্র?
- সে'বার। মুমিন যখন রান্না করছিল, তুমি তাঁর কাছে জানতে চাইলে আশেপাশে টয়লেট আছে কী না। না থাকায় সেই মুমিনই তোমায় নিয়ে যায় ধাবার পিছনে। খাদ ঘেঁষে যাতে তুমি কাজ সারতে পারো। 
- সো?
- তুমি পা পিছলে পড়ে গেছিলে। মুমিন নিজের চোখে দেখেছিল। তোমায় তলিয়ে যেতে খাদে। 
- বাবলু শোন...। 
- তুমি ফিরে আসোনি। তোমার...ইয়ে...ফিরে এসেছিলো...। সেই ইয়ে...মানে এই তুমি...মুমিনকে শাসিয়েছিলে যে এ খবর আমায় জানালে তুমি তাঁর গলা টিপে...।
- বাবলু এ'সব...। 
- মিথ্যে নয়। মিথ্যে রয়েছে অন্য জায়গায়। এই তোমার চামড়ায় এমন কোন বদ-রোগ নেই যা অন্যের সামান্য ছোঁয়ায় তাঁর চামড়াকে বিষিয়ে দেবে। আদতে তোমার ছুঁতে চাওয়াটাই মিথ্যে। রোদে তোমার অদ্ভুতুড়ে অ্যালার্জি নেই। তুমি মেডিকাল মিস্ট্রি নও। 
- বাবলু তুই তখন কত ছোট। তোর মা নেই। আমি এ'ভাবে অন্তত না এলে তুই ভেসে যেতিস। ভেসে যেতিস। 
- এবারে এসো বাবা। প্লিজ। এসো। মিলি ওঠার আগে...চলে যাও...। আশা করি দরজা খুলতে হবে না...। মুমিন বলে গেছে সে ছাতের উত্তর কোণে অপেক্ষা করবে। তোমায় সেই খাদে ফেরত নিয়ে যাবে মুমিন। 
- এমন ভাবে যাওয়াটা...বৌমা যদি...।
- আমি বুঝিয়ে বলবো...।
- বেশ...আমি আসি...আর শোন রাত্রে বাথরুমের বাতিটা নেভাতে আজকাল রোজ ভুলে যাচ্ছিস। ইলেকট্রিক বিলের ব্যাপারে তোকে আর একটু কেয়ারফুল করে তুলতে পারলেই আমার প্যারেন্টিং কমপ্লিট হত। কিন্তু এই মুমিন ব্যাটা সেই টাইমটুকু দিলো না। আসি। কেমন?