Thursday, April 14, 2016
হালখাতা
বিনুর মা
১
২
৩
৪
অপেক্ষা। রক্ত ধুয়ে যাওয়ার অপেক্ষা।
ও কে ছিল? বিনু? না বিনি? নিভা জানতে দিল না। রাগ বড় বেহিসেবি হয়ে গেছিল। বড়।
Tuesday, April 12, 2016
বালিশের পরে
প্যারাসুট
প্যারাসুটে ঝুলে উপরের দিকে ভেসে যাচ্ছিলেন রজনীকান্তবাবু।
খাবলা খাবলা তুলোর মত মেঘ পাশ কাটিয়ে উঠছিলেন তিনি, উঠেই যাচ্ছিলেন। এত উপরে উঠে এলে আকাশের নীলটা যেন আরও মনোরম ভাবে গায়ে চেপে বসে। আহা!
দিব্যি উড়ে ওপরের দিকে যাচ্ছিলেন, এমন সময় রজনীবাবুর চোখে পড়ল সে ভদ্রলোকের ওপর। এক ফালি মেঘের ওপর বসে নিশ্চিন্তে নিজের পৈতে চিবচ্ছিলেন। খালি গা, কোমরে জড়ানো গামছা।
- এক্সকিউজ মি!
- আমায় বলছেন কিছু?
- এদিকে আর ক'জন আছে বলুন। ইন ফ্যাক্ট এই প্রথম দেখতে পেলাম কাউকে। এত উপরে।
- অ।
- আমি রজনী। রজনীকান্ত। আপনার নামটা?
- মলয়। মলয় মুখুজ্জে। বেলঘড়িয়ার।
- আমি এখানে প্যারাসুটে নিয়ে উড়ে এসেছি।
- আপনিও?
- আমিও মানে? ইয়ে। আমি তো জানতাম আমি ছাড়া প্যারাসুটে ঝুলে ওপরের দিকে কেউ উড়তে পারে না।
- আরে আমারও তো সেই সমস্যা হল।
- আজ্ঞে?
- গতকাল অফিস থেকে ফিরে মনে হল মাথাটা বেশ ভার হয়েছে। কলকাতায় বেয়াল্লিশ চলছে, বুঝলেন কিনা রজনীবাবু। দেখলাম তালুটা আগুন হয়ে রয়েছে। ভাবলাম যাই, কষে মাথায় তেল ঘষে দু'মগ ঢেলে আসি।
- তো ?
- কোথায় দু'মগ জল! কোথায় কী! সবে মাথায় প্যারাসুটের নারকোল তেল রগড়েছি, অমনি মাথা ভার গায়েব।
- গায়েব?
- গায়েব। শুধু তাই নয়। মনে হল ভার কমতে শুরু করেছে।
- সে কী!
- প্যারাসুটের এফেক্ট ভাবুন। সেই ভাসতে শুরু করেছি, শেষে এসে ঠেকেছি এই মগডালে।
- বোঝো!
- ক্যালামিটি!
মিত্তিরদের গল্প
- আসুন।
- আছেন কেমন?
- সিগারেটে কোন...!
- না না। আমার অসুবিধে নেই।
- বলুন।
- যা গরম পড়েছে...।
- সিধুবাবু, সাত মিনিটের মাথায় দারুওয়ালার সাথে একটা চ্যারিটি ইভেন্টে যাওয়ার আছে। গাড়ি এসে হর্ন দিল বলে।
- বেশ। প্রসঙ্গে আসি। অমল ব্যানার্জি। প্লাস্টো নেশনের এমডি...।
- বেয়াল্লিশ। গল্ফ। জনি ওয়াকার। ব্রীজ। টালি ক্লাব। ধর্মে মন আছে।
- ফেলু একটা বিষয়ে ফাঁপরে পড়ে আমায় ফোন করেছিল। অমল ব্যানার্জির ব্যাপারে কয়েকটা বিশেষ তথ্য জানতে চায়। আমি ওকে আগামীকাল আসতে বলেছি। অ্যাজ ইজ অলওয়েজ দ্য কেস্; কচি মিত্তিরের সমস্যা যদি সিনিয়র মিত্তির সল্ভ না করে..।
- নটবর মিত্তির পায়ের তলায় ঘাস গজাতে দেয় না, জানেন তো?