ডালহৌসির পাশে অকল্যান্ড রোডের কোনের এক সরকারি অফিসের জুনিয়র ক্লার্ক বিনোদবাবু; এত টাকা এক সাথে আগে কখনও দেখেননি তিনি। গলা শুকিয়ে আসছিল। আনন্দে। ঘরে রয়েছে কড়কড়ে আরও চুয়াত্তর হাজার টাকা; ক্যাশ; দেরাজে। মায়ের শেষ স্মৃতিটুকু হাওয়া; কেয়ার অফ কর্মকার জুয়েলারি।
***
- ব্রেজিল? বলেন কি মশায়?
- আমি অবিশ্যি ব্রাজিলই বলি
- না মানে রে নিজেতো...
- রে নয় রায়।
- যাকগে, স্ট্রেট টু সাও পাওলো ? আপনার ট্যাঁকের জোর আছে মশাই। যদিও আপনাকে দেখে ঠিক তেমন মনে হয় না। নয়তো এই ভর-দুপুরে মিনিবাসে...
- ঠিকই ধরেছেন। ট্যাঁকের জোর নেই। সখের জোর আছে। প্যাশন আছে।
- নিজে খেলতেন নাকি কখনও ?
- মেদিনীপুরকে রিপ্রেজেন্ট করেছি।
- ট্যুর প্ল্যান কিরকম ?
- নয় দিন থাকা।
- নয় দিন?
- অ্যাট রামকৃষ্ণ মিশন। কন্ট্যাক্ট ছিল। মিনিমাল খাওয়া - দাওয়া। ডর্মিটরিতে থাকা। ফ্রিতে। এক প্রতিবেশীর বেলুড় মঠে একটু ইয়ে আছে। তিনি ম্যানেজ করে দিয়েছেন। আমার খরচ বলতে প্লেনের টিকিট আর ম্যাচের টিকিট। যদিও সামান্য গ্রুপ ম্যাচ। তাও হোম-টিমের নয়। তবু বেজায় খরচ। আমার সমস্ত সেভিংস্ই... নেহাত সংসারে একলা মানুষ...