Thursday, August 1, 2013
Wednesday, July 31, 2013
মেজাজ ও স্নান
নিজের ওজন বুঝে
নেওয়া উচিৎ সকলের। সরি স্যার। ওজন বলতে ভুঁড়ি বা মানিব্যাগের পরিধি মাপতে বলছি না।
মেজাজের গভীরতা দিকে নজর দিচ্ছি।
গুরুজনেরা বলে গেছেন
যে মেজাজটাই আসল রাজা। মেজাজ গড়বড়ে হলে, পকেটে টু পাইস্ থাকলেও আপনার ইচ্ছে করবে এইবেলা
এলুমিনিয়ামের বাটি হাতে খানিক ভিক্ষে করে আসি। কাজেই মেজাজকে খোকার হাতের মোয়া করে
রাখার বিশেষ প্রয়োজন।
মুস্কিল হচ্ছে,
মেজাজ মাপার যন্ত্র বলতে কিছু নেই। নিজের মেজাজটা যে রাজকীয় না এলেবেলে;সেটা না বুঝলে চলবে কেন। তবে,
ইয়ে...উপায় আছে। মেজাজকে আঁক মেপে চিনে নেওয়ার উপায় আছে। কি ভাবে ? তা বলতেই এ
পোস্টের পাঁয়তারা।
মেজাজ মাপার একটা জলবৎ-তরলং উপায় হল অতি সহজ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া –
“ আপনার এখন কি ভাবে স্নান করতে ইচ্ছে করছে ?
Tuesday, July 30, 2013
দু'জন

কসবা থেকে গরিয়াহাট যাব। একটানা ঝিরঝিরে বৃষ্টি। নেচে-কুঁদে কোনোক্রমে একটা ট্যাক্সি দাঁড় করিয়ে উঠতে যাব অমনি দেখি এক বৃদ্ধ এসে হামলে পড়লেন আমার গায়ে। বৃদ্ধ বলছি কারন মাথার চুল ধবধবে সাদা। পোশাক ধোপ-দুরুস্ত, পরনের টিশার্ট’টি কেতাবাজ বললে ভুল হবে না।
-
“ ইয়ে মানে আমিই
ট্যাক্সি দাঁড় করালাম কি না, আপনার কি বিশেষ প্রয়োজন ?” বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করতেই হল।
-
“ ঢাকুরিয়া যাব। আই হোপ
দ্যাট ইউ ক্যান গিভ দিস্ ওল্ড ফুল আ লিফ্ট। “
সম্মতি সূচক হাসি দিতেই হল। দুজনেই উঠে বসলাম ট্যাক্সিতে।
Thursday, July 25, 2013
Monday, July 22, 2013
দিবাকর এবং হাওড়া ব্রিজ
হাওড়া ব্রিজের একটা ডাকনাম দিলেন দিবাকর।
একটা চটের থলিতে ছয় কিলো গেঞ্জি-কাপড় বয়ে দৈনিক
বড়বাজার টু হাওড়া হেঁটে আসেন তিনি। একটা বাস ধরতেই পারেন কিন্তু অফিস টাইমের দম
বন্ধ করা ভিড়কে ভীষণ ভয় পান দিবাকর। তবে তার চেয়েও বড় কারণ হচ্ছে হাওড়া
ব্রিজের মায়া। সেই সতের বছর বয়স থেকে বড়বাজার থেকে গেঞ্জি কাপড় কিনে রিষড়া’র একটা আধ-কানা কারখানায়
সাপ্লাই করে চলেছেন দিবাকর। বয়স এখন চুয়াল্লিশ। দিবাকর ভেবে দেখেছেন যে সময়মত
বিয়ে হলে তাঁর ছেলে নান্টু এখন ক্লাস এইটে পড়তো আর মেয়ে নিপা ক্লাস ফাইভে। এটাও
ভাবা আছে যে তাঁর একটা এলো-আই-সি আর দুটো ফিক্সড্ ডিপোজিট হতে পারত এ বয়েসে।
বুদ্ধি করে চললে সান্যালদের এক কাঠা জমি কিনে একটা ছোট পুঁচকে বাড়ি হাঁকানো কি
মহা-অসম্ভব কিছু কিস্সা হত ?
মুস্কিল হল, বিয়ে-থা আর করা হয়ে ওঠেনি দিবাকরের। গেঞ্জির
কাপড় সাপ্লাই দিয়ে যে দু পয়সা আসে তাতে তাঁর আর পিসিমার সংসার প্রায় চলে না
বললেই হয়। তাও ভাগ্যি পিসেমশাই আধ-ভাঙ্গা বাড়িটা রেখে গত হয়েছেন। নয়ত পিসিমা’র সাথে ষ্টেশনের বস্তিতে
গিয়ে থাকতে হত। এলো-আই-সি’র গুড়ে বালি, দিবাকরের নিজের কোনও ব্যাঙ্ক
একাউন্টই নেই।
পিসিমা’র প্রেশারের ওষুধ কিনতে
গিয়েই হিমশিম খেতে হয়। দিবাকর শেষ পাঁঠার মাংস খেয়েছিলেন চার মাস আগে, পাড়ার বাদলদা’র মেয়ের বিয়েতে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
