বোলপুর যাওয়ার পথে। ইলামবাজারের কাছাকাছিই হবে। রাস্তার ধারের একটা ছোট্ট চায়ের
দোকান। সেখানেই থামলেন এক সুডৌল চার-মাথার পরিবার; পিতৃদেব, মা, বেটার-হাফ আর ব্যাজার-হাফ। পরিবারটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে চায়ের অর্ডার দিয়েই নিজেদের
শর্তগুলো শুনিয়ে গেলেন।
পিতৃদেব বললেন যে তার চা যেন চিনামাটির কাপেই আসে। পেয়ালা-মেজাজ বিনে চা-পান বৃথা।
মা অমনি বললেন, হাজার মুখের
এঁটো কাপ যেন তাকে না দেওয়া হয়, প্লাস্টিকের কাপ ছাড়া তিনি চা
গ্রহণ করবেন না।
ঝকঝকে বেটার-হাফ পুত্রবধু’টি কুই করে কইলেন যে এঁটো কাপ তো চলবেই না, এমনকী প্লাস্টিকও নাকি যথেষ্ট প্রো-প্রকৃতি নয়, অতএব
তাকে যেন কাগজের কাপে চা দেওয়া হয়।
ব্যাজার-হাফ পুত্র সোজাসুজি জানালেন যে মাটির ভাঁড় বিনে নাকি রাস্তার চা’য়ের স্বাদ ঘনীভূত আদৌ হয় না।

