সন্ধ্যে বেলা। বিশাল একটা
মাঠ। একজনকে বাদ দিলে, সম্পূর্ণ ফাঁকা। মাঠের ঠিক মাঝখানটায় বসে পাপন। হূই দিকে একটা গোলপোস্ট আর ঠিক উল্টো দিকে একটা। এক-ছটাক
দু-ছটাক ঘাস মাঠ জুড়ে ছড়িয়ে, অল্প বালি, অল্প কাদা। শুধু মাঠের ঠিক মাঝখানটায়, অর্থাত্ পাপন যেখানে বসে আছে, সেইখানটা
একটু ন্যাড়া; কারণ এইটা হল ক্যাম্বিস বলে খেলার ক্রিকেটের
পীচ। পাপন বাঁ হাতে ব্যাট করে। সবে রিভার্স স্যুইপটা হাতে আসছে। গরম পড়ে
গেলে অবশ্য শুধু ফুটবল আর ফুটবল। বর্ষায় করায় ল্যাপ্টা-লেপ্টি হয়ে ফুটবলের যে কী মজা; আহা। মান্তুদা তো এই মাঠে প্র্যাকটিস করেই কলকাতার ফার্স্ট ডিভিশনে চান্স পেয়ে গেছিলো।
ঘাস উপড়ে ফেলে গোড়ার ফ্যাকাশে সবুজ দিকটা জুত্ করে চাটতে
পারলে মিষ্টি স্বাদ জ্বিভে লাগে। বিকেলের আড্ডায় মগ্ন হয়ে কতবার ঘাস মুখে দিয়ে ফেলেছে পাপন। গরু হয়ে থাকাটা নেহাত্
মন্দ নয়; ঘাস
ব্যাপারটায় অসুবিধে বিশেষ নেই, তাছাড়া অঙ্কস্যারের গরু বলে ডাকটা আর অপমানজনক লাগবে না


