Thursday, August 2, 2012

অথ কোলকাতা কড়চা-ক্যাওড়া

কোলকাতা সম্বন্ধিও যত আলপটকা ট্যুইটের ব্লগীও সংকলন। ক্রমশ আপডেটিতো হতে থাকবে, এমনটিই আশা  



"ধর্মতলায় ধর্ম ও রবীন্দ্রসদনে দাঁড়ি: খুঁজবেন না"

"কফি হাউসের কফি খারাপ এবং হাউস পুরনো। এছাড়া সব কিছু ঠিকঠাক"

"জামা-ভেজা ঘাম ও হ্যান্ডেলে ঝুলন্ত আধ-ঘুম : মিনিবাস বেমালুম"

"বিনে শ্যামবাজারের পাঁচ মাথা , কল্কে পাবেনি কোলকেতা"

অন্য পারের রাখী

(ও পারের বোনটির প্রতি)

জ্যেঠু হামেশাই বলতেন স্নেহ সহজেই পাল্সচিনে নেয়। এক সহজিয়া বন্ধু-স্বর ট্যুইটারের কচ-কচানি চিরে মাঝে মাঝেই সাড়া দিতো।সাড়া দিতো বাংলার ওপার থেকে, অন্য বাংলা হতে।  আচমকা ভেসে এলো আদর মাখা স্নেহ-ডাক : দাদাভাই। মুখায়ব অচেনা, অপরিচিতা, তবু কল্পনা করে নিতে অসুবিধে হয় না বোনটির চোখের কোণে চিকচিকে ভালোবাসা।

আন্তর্জালিক সুতোয় জড়িয়ে থাকা রাখী ভেসে এলো। সীমান্তে যুদ্ধটার মত; এমণটাও তো হয়েই থাকে।

নিপাট ভাই-বহেন।

* * * 

দমদম এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়ে রয়েছি। বস ঢাকা থেকে ফিরছেন কিছু বেফালতু অফিসিও কাজ সেরে। ঢাকার ফ্লাইটে নেমে বস ফোন হাতে ব্যস্ত। আমি সংটি সেজে নন্দি সেজে দাঁড়িয়ে রয়েছি।রাখীর দিন। শ্যামবাজারে পিসতুতো দিদির বাড়িতে মোগলাই খানার নিমন্ত্রণ। বসের চক্করে এয়ারপোর্টে আটকা রয়েছি। মেজাজ প্রবল ভাবে চটকে।  এমন সময় ঝকঝকে একটি মেয়ে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কী তন্ময়

Wednesday, August 1, 2012

সোনা

পৃথিবী স্বর্ণ-ময়। গয়নার সোনা, ভল্টের সোনা, ছিনতাইয়ের সোনা, মাধ্যমিকের লেটার পাওয়া ছেলেটি সোনা, টুকটুকে মেয়েটির গায়ের রংটি সোনা, প্রেমিকার তুলতুলে আদুরে সোনা, বিস্কুটের সোনা, মহাপাত্র সোনা, আমার বাংলা সোনা, ডিসেম্বরের রোদ্দুরের সোনা, আদরের পোষ্য বেড়াল-সোনা, ওল্ড ইজ গোল্ডের সোনা, অল দ্যাট গ্লীটার্সয়ের সোনা, বাপী লাহিড়ীও সোনা, অলিম্পিকীও সোনা

শুধু যদি চলে যাওয়া মা এসে “সোনা” বলে বুকে টেনে নেয়, বাকি সব সোনা ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায় 

Monday, July 30, 2012

চাকরির চক্করে

গৌতমবাবুর সঙ্গে দেখা বহুদিন পরবাজারেগৌতমবাবু ছিলেন আমাদের কেমিষ্ট্রীর শিক্ষক।ভীষণ ভালো ফুটবল খেলতেন, পাড়ার ক্লাবের কোচও ছিলেন। ঢিপ করে প্রণাম করে নিজের পরিচয় দিলাম। চিনতে পারলেনআমি জানালাম কোথায় আছি এখন, কীই বা চাকরি করছি।গৌতমবাবু নরম হেসে বললেন:  

“চাকরি? চাকরির একটি মাথাদুটি কান, একটি নাক, একটা মুখ দুটো হাত, দুটো পাএকটি হৃদয়চাকরি স্তন-বানও বটে।চাকরির প্রতি এমন স্নেহ নিয়ে কৈশোর থেকে যৌবনের দিকে ট্র্যাভেল করেছোপড়াশোনার কসরত্‍ করেছো, কেতা-অভ্যেস করেছো, বিবেকানন্দ পড়ে ডন-বৈঠক দিয়েছো, কথা বলার চাকুরিও-মায়াবী ভঙ্গিমা রপ্ত করেছো, নারী-প্রেম নিশ্চই তোমার ট্র্যাভেল-ট্র্যাকে বোম মেরেছে তবু  তুমি লাইন-চ্যুত হওনি।এখন তুমি একজন পরিপূর্ণ যুবক! পকেট নিকোনো চাকরি। যার একটি মাথা, দুটি কান, একটি নাক, একটা মুখ, দুটো হাত, দুটো পা একটি কোলেস্টেরল-মাখা হৃদয় জানি না তোমার সাথে আবার কবে দেখা হবে, তাই বলিবিয়ে করেছো দারুন ব্যাপার। ইউ উইল বি আ ফাদার সাম ডে। সন্তান কে এমন শিক্ষা দিও যাতে সে  শৈশবকে কফিনে সার্ভ করার আগে শৈশবের কপালে আলতো চুমুটুকু খেতে পারে।চলি। কেমন?”