Monday, February 6, 2012

100. And A Brief History of Bong Pen


হনুমানের পাহাড় খুবলে কতটা মস্তি হয়েছিলো? যুধিষ্ঠীরের অশ্বমেধ যজ্ঞ করে কতটা ফুর্তি হয়েছিলো? হেক্টরের ট্রয় থেকে হেলেন ঝেড়ে কতটা ছাতি ফুলেছিলো? ওডেসিয়াসের রাজকার্য চুলোয় দিয়ে বিশ্বময় টই-টই করে বেড়াতে কেমন লেগেছিলো?
সহজ উত্তর হচ্ছে: ব্যাপক!
আমি হনুমান, যুধিষ্ঠির, হেক্টর, ওডেসিয়াস কোনটাই নই, তাই বলে আমার কোনও ‘Epic’ কিছুর ওপর কোনও অধিকার থাকবে না, তা কী করে হয়! না হয় সেটা পাতি-লেভেলেই হল, কিন্তু একটু নিজের পিঠে চাপড় মারবো না সেটা কী ভাল দ্যাখায়?
এত ভণিতা যে করলুম তার মূল কারণ হলো, Bong Pen’এর ৯৯ পোস্ট পেরিয়ে এবার ১০০তম পোস্টের সময়। এই সুযোগে দেদার ভাবে নিজের ঢোল পিটিয়ে নেওয়া উচিত। তা বলে নিজের পিঠ নিজে চুলকোবো? ধরলাম মাকুকে (ওরফে সুহেল ব্যানার্জী)Bong Pen’য়ের মূল আইডিয়া এই সুহেলেরইএবং BongPen শুরুর সময়ই ঠিক ছিলো যে ১০০তম পোস্ট লিখবে সুহেলই। ছোটবেলার বন্ধু হিসেবে, আমি শুধু কিছু গোপন ইনফরমেসন ভিত্তি করে সুহেল কে ব্ল্যাকমেল করে রেখেছিলাম যাতে বংপেনের বিষয়ে কথা ছাড়াও আমার  ব্যাপারেও যেন বেশ গাল-ভারী ভালো ভালো কথা ওর এই পোস্টে থাকে। অত:কিম - ১০০তম পোস্ট, বংপেনে;


Like most of us Bongpen too was conceived in the middle of the night. A warm and sultry night in May '07. Tanmay & I were on the phone, discussing India's recently completed disastrous stint at the World Cup in the Caribbean. He was at the fag end of his MBA (yes, Bong Pen is an MBA, surprising, isn't it?) and had some time on his hands before starting with his new job. I was working with an Internet firm, getting more fascinated by the day of this still-new medium and its reach and power. We were friends since high school, and I was well aware of Tanmay's  command over Bangla, captivating story telling powers and "cockroach dipped in ink crawling over white paper" handwriting skills. In what seems like 'the moment of truth' in hindsight, we decided to start a web journal to chronicle his writing. 

Friday, February 3, 2012

ইন্টারনেট গুবলেট

বস্তুত, প্রযুক্তি হিসেবে বাঙালি জাতির কাছে ইন্টারনেট প্রবল ভাবে ব্যর্থইন্টারনেট নামক জন্তুটি যে সহজ সত্য অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছে, সেটি হলো যে বাঙালি জাতির 'পরিবর্তন' কোনও সার্ভারয়ের হাতে নয়, রয়েছে ব্যালটে ও ইসবগুলের স্বাদেইন্টারনেটের স্বপক্ষে যাবতীয় যুক্তি, আদপে বাঙালির মূল জাতিগত স্বার্থগুলোতে বারংবার প্রবল আঘাত হেনেছেতলিয়ে দেখলে, ইন্টারনেট আসলে বাঙালির থেকে বাঙালিয়ানা কেড়ে নেওয়ার একটি নির্মম মহাজাগতিক প্রচেষ্টা মাত্র।

হে গুগল-লেহনকারী বঙ্গসন্তান, শান্ত চিত্তে ভেবে বলুন তো এই আন্তর্জালিক মক্কেলটি আপনার কোন ইন্দ্রিয়ে সুড়সুড়ি দিয়েছে যে আপনি এর কেন গোলাম হয়ে থাকবেন? ভাতঘুম বেঁচে থাক, এই প্রযুক্তির নেশা কাটিয়ে উঠুক বাঙালি, নয়তো অচিরেই তার অস্তিত্ব সাফ হয়ে যেতে পারে।

ইন্টারনেটের উপকারিতা কোথায়? বিশ্ব-ব্যপি যোগাযোগয়ের সুবিধে? বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ রেখে আমরা কী করব? ঘরের কোনে আলতো পেছণ ঠেকিয়ে ভ্রমণ কাহিনী পড়বো, মুড়ি চানাচুর খেতে খেতে কাফকা পড়বো, এর বেশি বিশ্বযোগয়ে আমাদের কী কাজ? যোগাযোগের নামে বাঙালীকে বাংলা ছাড়া করবার এক নিকৃষ্ট অজুহাত যুগিয়েছে ইন্টারনেট।সাবধান বন্ধুরা। 

Monday, January 30, 2012

থাপ্পড়ের খপ্পরে


থাপ্পড় ব্যাপারটা ছেলেবেলায় নেহাত মামুলি ছিল। ভাত খেতে না চাওয়া; মায়ের থাপ্পড়, জানলার ভাঙ্গা কাঁচ; পাড়াতুতো জ্যেঠুর থাপ্পড়; অঙ্কে উনিশ; হেডস্যারের থাপ্পড়, ইস্কাপণ-তীর আঁকা বেহাত প্রেম-পত্তর; Could-Have-Been প্রেমিকার পিতার থাপ্পড়। একটা বয়েসে ক্রমশ মনে হতে থাকে, বড় হওয়ার ইনসেনটিভ একটাই; চড়-থাপ্পড়হীন জীবনযাপন
কিন্তু বড় হয়ে দেখলাম উল্টো বুঝলি রাম। থাপ্পড়ের শরীরিকতা গায়েব হয়ে গ্যালো ব্যটে, অশরীরী থাপ্পড়ের ঝড় নেমে এলো জীবনেমার্কেট শেয়ার কচু-কাটা; বস-কতৃক Performance Evaluation ঘটিত থাপ্পড়বিবাহবার্ষিকী বেমালুম ভুলে গুল; বউয়ের দৃষ্টি থাপ্পড়হাতে প্রাগৈতিহাসিক মডেলের মোবাইল; সমাজের স্টেটাস মুখী-থাপ্পড়। প্রতি দুই খানি ফুচকায় এক খানি জেলুসিল থাপ্পড়, প্রতিটি তেলেভাজার সাথে বুক জুড়ে কোলেস্টেরল-থাপ্পড়।

Sunday, January 29, 2012

আকাশ ভরা সূর্য-তারা



রবীন্দ্রনাথেও Value-Add সম্ভব?
সম্ভব। দেবব্রত বিশ্বাসে।
আর দেবব্রত বিশ্বাসে value-add?
সম্ভব।
মুহূর্তে, অভিব্যক্তিতে, সুন্দরে, পাগলামিতে।
এক খাম খেয়ালী থিয়েটার কর্মীর পাহাড়ে আসা, এবং এই গানে পাহাড়ময় নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া।
ঋত্বিক-অনিল-দেবব্রত ছাড়া রবীন্দ্রনাথকে এতো ভীষণভাবে প্রকৃতিতে মিশে যেতে পারতেন? প্রশ্নটা ধৃষ্টতা হয়ে কানে ঠেকছে কী? স্বপক্ষের যুক্তি তে শুধু এই Expression গুলো বিকট ভাবে আলাদা করে সাজিয়ে দেওয়ার একটা হাস্যকর চেষ্টা করা যেতে পারে:
"জাগে আমার গান" - এমন ভাবে ছাড়া জেগে ওঠা যায়?


Wednesday, January 25, 2012

কলকাতা বইমেলা : যা করবেন এবং যা করবেন না



কলকাতা বইমেলা। বাঙালি দুর্গাপুজো করে ফুর্তির জন্যে, বই মেলা ঘোরে আধ্যাত্মিক মালিশের জন্যে। অনিচ্ছুক ভিডিও-গেমবাজ বাচ্চাদের ঘাড় ধরে পিতারা বই চড়ান, প্রেমিক-প্রেমিকারা ছাতা-হীন প্রেম সারেন, মেয়েরা বই দ্যাখে-ছেলেরা মেয়ে, উদ্যোগী মানুষে বই চুরি করেন, কবিরা তীর্থ করেন, গিটার-শখিয়েরা থেবড়ে বসে গান করেন, হুল্লাট ব্যাপার এক্কেবারে।

এ ব্লগের পক্ষ থেকে বই মেলায় কী করণীয়, কী নয়, তার ওপর একটা মৃদু রিসার্চ করে ফেলা হয়েছে। জনদরদী উদ্দেশ্যে তা সাজিয়ে দেওয়া হলো:

বইমেলায় কি করবেন?
- বই মেলার ম্যাপ জোগাড়কাঁধে ওয়াটার-বটল ঝুলিয়ে, চোখে গগল্স চাপিয়ে, পিঠে রুক-স্যাক চাপিয়ে লিভিঙ্গস্টোনের মত বলবেন, “ এই আমি আছি ১৩২ নম্বর স্টলের সামনে, নাক বরাবর হেঁটে গিয়ে, ১৯২ নম্বর থেকে বাঁ দিকে টার্ণ, অত:পর কয়েক পা এগিয়ে মিলবে ফোয়ারা এবং ফ্রম দেয়ার ঈশান কোনের দিকে মুভমেন্ট করতে করতে ৬ খানা স্টল ছাড়ালেই পাওয়া যাবে ডেষ্টিনেশন, স্টল ৩১৭”, তবেই না তৃপ্তিযদি কেউ ফোড়ন কাটে “আরে ওই তো দ্যাখা যাচ্ছে স্টল ৩১৭”, দমে যাবেন না, বইমেলায় এসে ম্যাপ ছাড়া ঘোরা নেহাত গবেটামি