এই মাত্র, সোফা ত্যাগ করে তিনি তার খুঁতখুঁত আঁকড়ে রেখে একবার দেয়াল ঘড়ির দিকে চাইলেন, তারপর যত্ন করে দেখলেন নিজের হাত ঘড়িটুকু এবং তদুপুরি নিজের মোবাইলে সুইচ টিপে মোবায়ীলোস্থ ঘড়িটির দিকে স্থীর দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ চেয়ে থাকলেন! তারপর সময়ের reliability কাঁচকলা দেখিয়ে সবেগে ছুড়ে দিলেন লাসিথ মালিঙ্গাইস্টিক প্রশ্ন: " এখন actually ঠিক কটা বেজেছে বলো তো?"
Monday, March 15, 2010
Saturday, March 13, 2010
আই পী এল ৩- রিভিউ : ১

আই পী এল ৩ চালু, রঙ্গ তামাশা মন্দ শুরু হয়নি! দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে, ব্লগে আই পী এল মুখী চিন্তা ভাবনা গুঁজে দেওয়ার দায়টুকু আমার আছে! সার্কাসে জ্যান্ত বাঘ বাতিল হয়ে যাওয়ার পর থেকে এমন হিল্লে ইভেন্ট এ দেশে আর দুটি আসেনি। থ্রী চিয়ার্স টু মোদী! থ্রী চিয়ার্স টু মন্দিরা!
দু দিন হলো আই পী এল-৩ এর,পোস্ট লেখার সময় দুটি ম্যাচ হয়ে গ্যাছে, তৃতীয় ম্যাচে প্রীতি পাঞ্জাব বনাম দিল্লিবাজদের ঘষা ঘষি চালু। সামগ্রিক কিছু বিপর্যয়মূলক কাহিনী ঘটে গ্যাছে ইতিমধ্যে:
১. এক্সট্রা ইনিংস (যা কিনা অরুনলাল-সিদ্ধু-কোচ্ছারে পাঠান-সচিন'সহ ম্যাচের থেকেও বেশি জমজমাট) মন্দিরা বেদী-হীন! মন্দিরার নুডল স্ট্র্যাপ ও বিশ্লেষণ ছাড়া ক্রিকেট? ছিঃ! এট লিস্ট ওই সোনালী নাগরানী কেও কি রাখা যাচ্ছিল না? শুধু চিয়ার লিডার দেখে সময় কাটবে?
২. নাইট রাইডার্সএর কঠিন ম্যাচ জেতা! আরে, কে কে আর ম্যাচ জিতলে মনোরঞ্জন যোগাবে কে ?
৩. রাসেল আর্নল্ড কমেন্ট্রি করছেন! আমি ভাবছি ইলেকসন লড়ব!
কি বস্তু বানিয়েছ গুরু! তবে শুধু বিপর্যয় কেন? ইনোভেশনটুকু কে স্যালুট করতে হবে না? স্ট্র্যাটেজি ব্রেক এখন নতুন আড়াই মিনিটের টুকরো টুকরো ফরমাটে! বিপণন বুদ্ধি আছে কিছু মোদিবাবুর, বাথরুম ইস্যু কে বানিজ্যিক ভাবে তরান্বিত করবার তার যে ক্রমাগত প্রচেষ্টা, সেটাকে সেলাম ঠুকতেই হয়!

পুনশ্চ:ভেতো বাঙালি আমরা, চামিন্ডা ব্যাস এবং সৌরভ গাঙ্গুলী, উভয়ের মেদ বৃদ্ধিই আমাদের আবেগের কারণ। তবু ব্যাস উইকেট পেলেন, সৌরভ রান পেলেন না! আমরা ধৈর্য্য ধরে বসে আছি, সৌরভ খেলবেন! কে কে আর'এর যে নেতা কে পূর্ণ প্রকোপে দেখলাম মাঠে (প্রথম ম্যাচ, দ্বিতীয় ইনিংস) তাকে দেখে এটুকু অন্তত আশ্বস্ত হলাম যে এখনো আগুন শেষ হয়নি! আগুনে স্কোরে বাড়ে না, তবে আশা জড়ো হয়। আর তাছাড়া স্কোর বোর্ড তো একটি গাধা, তাই না!
Tuesday, March 9, 2010
নারী ঘটিত

ছোটবেলায় ইংরেজি স্যার সুব্রতবাবু বলেছিলেন যে, "রোমান্স'এর সব চেয়ে কুইন্ট এসেনসিয়াল কম্পোনেন্ট কি জানিস পচা? আয়রনি (Irony)!"
ভারী রোমান্টিক দেশে আমাদের।
আজ, রাজ্যসভার মঞ্জুরি পেয়ে নিশ্চিত পদক্ষেপে এগিয়ে গ্যালো মহিলা সংরক্ষণ বিল।
একই দিনে বিহারে, ডাইনি সন্দেহে এক মহিলা কে গণপিটুনির চোটে মারা যেতে হলো (খবর সুত্র: NDTV)।
একটা লজিকাল প্রশ্ন না খেলালেই নয়, চাকরি যাওয়ার রিস্কটা কি পুরুষ সাংসদরা মেনে নিতে পারবেন? মন থেকে মেনে নিতে পারবেন?
বর্তমানে ৫৯ জন মহিলা সাংসদ রয়েছেন লোকসভাতে। এই সংখ্যাটা সোজাসুজি গিয়ে ঠেকবে ১৬০ এর ওপরে! অর্থাত এই বিলটির কল্যানে বর্তমানে সংসদ আছেন (পুরুষ) এমন অন্তত শ-খানেকের বেকারী নিশ্চিত।
সহজ ভাষায় প্রতি ৫ জন রাজনীতিক অন্তর একজনের কেরিয়ার কপচে যেতে চলেছে! এই অঙ্কটা কিন্তু বাস্তবিকই বিশেষ সুবিধের নয়। রাজ্যসভা পেরোলেও, এই বিল'এর যাত্রা কিন্তু নেহাত সহজ হবে না! এরপরের রয়েছে লোকসভা, এবং তারপরে থাকলো ক্রিটিকাল-কেলো রাজ্যের বিধানসভাগুলি! দ্যাখা যাক।
এইবার প্রশ্ন হচ্ছে যে এই বেকার পুরুষ রাজনীতিকদের পরবর্তী জীবিকা কি হতে পারে ? কিছু সাজেসন ভাসিয়ে দেওয়া যাক :
১. কলকাতা নাইট রাইডার্সের মিডিয়া ম্যানেজার, একের পর এক হেরো সব যুক্তিকে মিডিয়া-মুখী করে তুলতে এদের কোনো জুরি পাওয়া যাবে না। বুকাননের 'রিভলভিং' বুদ্ধি খাটাতে পারলে এক সাথে অনেকের চাকরি ম্যানেজ হয়ে যেতে পারে।
২. সমাজবাদী পার্টি এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের কলকাতা অফিসে চাকরি, কলকাতা মাছি-less হয়ে যাবে।
৩. ফুটবল বা হকি কর্তা।
৪. দক্ষিনের সমস্ত বেকার রাজনৈতিকরা অবশ্যই সিনেমার জগতে ফিরে যাবেন।
৫. সি পি এম'এর বেকার রা '২৪ ঘন্টা'য় এবং তৃনমূল'এর বেকার দাদারা 'স্টার আনন্দ'তে নিজেদের টক-শো সুরু করতে পারেন।
৬.মধু কোডা জাতের আখের যদি গোছানো থাকে তবে চুপচাপ পন্ডিচেরি তে ধম্ম-কম্ম!
৭. ব্লগিং।
পুনশ্চ : তাপস পাল চলে যেতে পারেন 'নন্দিনীর রান্নাঘর'এ।
Saturday, March 6, 2010
জুতো পেটা

বুচুদা আধ বোতল Baygon Spray খেয়ে সুইসাইড করে ফেললো! ডাক্তার Stomach Cancer সন্দেহ করেছিল! Report আসা পর্যন্ত nerve ধরে রাখতে পারলো না!
Nervous Breakdown আর Baygon'এর concoction'এ রাত্তিরে নিপাট finish হয়ে গ্যালো। পুলিশ-টুলিশের ঝামেলা চুকিয়ে দু দিন'এর মাথায় যখন নিমতলা মুখো হওয়ার আগে বুচুদার বডি উঠোনে এনে শোয়ানো হলো তখন জানা গ্যালো Final Report'এ বলেছে বুচুদা'র ক্যান্সার হয়ইনি, স্রেফ পেট'এর মধ্যে mega-ulcer গজিয়ে গেছিল! ফুচকা-রোল বাদ দিলে নিশ্চিন্তে fight দিতে পারত।
সবাই দাড়িয়ে তখন বুচুদার superfine quality'গুলো কে synopsis করে হাহাকার করতে ব্যস্ত। বুচুদা ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ছিল, university'র center forward, ভারী সুন্দর নজরুলগীতি গাইত, পাড়ার পিকনিক'এ অর মত চিল্লি চিকেন কেউ বানাতে পারত না! এহেন বুচুদা আধ বোতল Baygon'এ মশা-মাফিক গায়েব! আমি শুধু ভাবছিলাম, বুচুদার টিউসন ছাড়া,অঙ্কে কি সুপার-কেলো আমায় face করতে হবে।
এমন সময়, দু দিন ঘাপটি মেরে থাকার পর গোলাপ জ্যেঠু, মানে গোলাপ চাষ খ্যাত বুচুদার বাবা, গম-গম শব্দে উঠোন কাঁপিয়ে দিলেন, "ব্যাটাচ্ছেলে বুচুকে জুতো পেটা করা উচিত! আমার ছেলে এমন মেনি মুখ? ক্যান্সার'এর ভয় Baygon ? বুচুর মা তুমি এমন নেকু ছেলের জন্যে কাঁদছ? Rubbish! জুতো পেটা কর ব্যাটা কে"!
সেই রাত্রেই গোলাপ জ্যেঠু চলে গেলেন, বুচুদার ফেলে যাওয়া আধ বোতল Baygon গিলে!
(ছবি: অরিত্র সান্যালের সংগ্রহ থেকে সরানো)
Tuesday, September 15, 2009
খেপচুরিয়াস
পৃথিবীটা ক্রমশ খেপচুরিয়াস হয়ে যাচ্ছে!
চা-ওয়ালা কে বললাম খুচরো নেই, খেই-মেই করে বললে, "ঢক ঢক করে চা গেলার সময় তো মনে ছিল না?"
বাস কন্ডাক্টার কে বললাম চেতলা এলে একটু ডেকে দিতে,বলা যায় না চোখ বুজে এলে.. বললে, "এটা কি বেডরুম না ক্যাওরাতলা যে চোখ বুজবেন?"
বস কে বললাম ছুটি চাই, মা অসুস্থ! বস বললে " চোপরাও ব্যাটা ফাঁকিবাজ, ব্লাফ-বাজ, Nincompoop"
সহকর্মী কে বললাম, 'গুড মর্নিং', সে বললে,"ধুর শালা"
পিওন বিশু'কে বললাম চট করে একটা সিগারেট এনে দিতে, বললে, ' বাপের চাকর নাকি মশায়'
অফিস ফেরত ট্রেনে সিটে বসা এক যাত্রী কে বললাম একটু সরে বসতে, বললে, "এই মাগ্গি-গন্ডার বাজারে যা চেহারা বাগিয়েছেন, তাতে কি আর আমি একটু চাপলে নিজেকে আঁটতে পারবেন এই সিটে? দাঁড়িয়ে থাকুন মশায়, সবসময় compromise expect করেই এ দেশ গোল্লায় গ্যালো"!
প্রেমিকা'কে বললাম একটা কবিতা লিখে পাঠাচ্ছি, রেজিস্টার্ড পোস্টে, বললে ,"ন্যাকা ভূত"!
বাড়ি'তে ফিরে বাবা'র ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটার দিকে তাকিয়ে সমস্ত কিছু ভেঙ্গে-চুরে ঝাপসা হয়ে যায়! ছোটবেলার নিউমোনিয়া-মাখা গন্ধ ফিরে আসে "খুব কষ্ট হচ্ছে খোকা?Steady my son, steady!চিন্তা করিসনি, আমি তো আছি!"
চা-ওয়ালা কে বললাম খুচরো নেই, খেই-মেই করে বললে, "ঢক ঢক করে চা গেলার সময় তো মনে ছিল না?"
বাস কন্ডাক্টার কে বললাম চেতলা এলে একটু ডেকে দিতে,বলা যায় না চোখ বুজে এলে.. বললে, "এটা কি বেডরুম না ক্যাওরাতলা যে চোখ বুজবেন?"
বস কে বললাম ছুটি চাই, মা অসুস্থ! বস বললে " চোপরাও ব্যাটা ফাঁকিবাজ, ব্লাফ-বাজ, Nincompoop"
সহকর্মী কে বললাম, 'গুড মর্নিং', সে বললে,"ধুর শালা"
পিওন বিশু'কে বললাম চট করে একটা সিগারেট এনে দিতে, বললে, ' বাপের চাকর নাকি মশায়'
অফিস ফেরত ট্রেনে সিটে বসা এক যাত্রী কে বললাম একটু সরে বসতে, বললে, "এই মাগ্গি-গন্ডার বাজারে যা চেহারা বাগিয়েছেন, তাতে কি আর আমি একটু চাপলে নিজেকে আঁটতে পারবেন এই সিটে? দাঁড়িয়ে থাকুন মশায়, সবসময় compromise expect করেই এ দেশ গোল্লায় গ্যালো"!
প্রেমিকা'কে বললাম একটা কবিতা লিখে পাঠাচ্ছি, রেজিস্টার্ড পোস্টে, বললে ,"ন্যাকা ভূত"!
বাড়ি'তে ফিরে বাবা'র ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটার দিকে তাকিয়ে সমস্ত কিছু ভেঙ্গে-চুরে ঝাপসা হয়ে যায়! ছোটবেলার নিউমোনিয়া-মাখা গন্ধ ফিরে আসে "খুব কষ্ট হচ্ছে খোকা?Steady my son, steady!চিন্তা করিসনি, আমি তো আছি!"
Subscribe to:
Posts (Atom)